
বেঙ্গালুরুতে তরুণীকে খুনের পর দেহ ৩০ টুকরো করে ফ্রিজে রেখেছিলেন তিনি। এবার ওড়িশা থেকে সেই অভিযুক্তের দেহ উদ্ধারে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
পুলিশের অনুমান, আত্মহত্যা করেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওড়িশার ভদ্রক জেলায় একটি গাছ থেকে ওই ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ মিলেছে।বুধবারই পান্ডিতে নিজের গ্রামে পৌঁছন অভিযুক্ত। তারপর থেকে গোটা দিন বাড়িতেই ছিলেন তিনি। রাতে প্রতিবেশীরা তাঁর ঝুলন্ত দেহ খুঁজে পান। অভিযুক্ত নিহত তরুণীর সহকর্মী ছিলেন। ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধুও। বুধবার কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বর বলেছিলেন, পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে যে মূল অভিযুক্ত ওড়িশায় রয়েছে। তাকে ধরতে পুলিশের একাধিক টিম রওনা দিয়েছে। পুলিশ মূল অভিযুক্তকে ট্র্যাক করছে। তবে সে ওড়িশায় ঘন ঘন তার অবস্থান বদলাচ্ছে।এমনকি, তাকে ধরতে ওড়িশায় রওনা দেয় বেঙ্গালুরু পুলিশের একাধিক টিম। কিন্তু বেঙ্গালুরু পুলিশের টিম ওড়িশায় পৌঁছানোর আগেই আত্মঘাতী হয়েছেন মূল অভিযুক্ত।সূত্রের খবর, অভিযুক্তের খোঁজে পশ্চিমবঙ্গেও তল্লাশি চালিয়েছে কর্নাটক পুলিশ।শনিবার বেঙ্গালুরুতে এক কামরার একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল ত্রিপুরার এক তরুণীর ৩০ টুকরো দেহ। নিহত তরুণীর নাম মহালক্ষ্মী। বেঙ্গালুরুর ভিয়ালিকাভাল এলাকায় ফ্ল্যাটে থাকতেন তিনি। সোমবার বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার বি দয়ানন্দ বলেছিলেন, সবদিক দিয়ে বিচার করে তদন্ত চালানো হচ্ছে। মূল অভিযুক্তের হদিস মিলেছে। তাঁকে গ্রেফতারির ব্যবস্থা চলছে। তবে সন্দেহভাজন ব্যক্তি কর্নাটকের নয়।








