
দক্ষিণের রাজনীতিতে এবার কি এক ছাতার তলায় আসতে চলেছে ডিএমকে-বিজেপি? দীর্ঘ বন্ধুত্বের পর সরকার গড়ার আশায় ডিএমকের সঙ্গ ছেড়ে থলপতি বিজয়ের হাত ধরেছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধীরা এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ডিএমকে প্রধান স্ট্যালিনের প্রতি ন্যুনতম সৌজন্যও দেখাননি।
তাতে রীতিমতো ক্ষুব্ধ ডিএমকে। সুযোগ বুঝে স্ট্যালিনের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়াচ্ছে বিজেপি, এমনটাই খবর। বিজেপি সূত্রের খবর, স্ট্যালিনের কাছে সংসদে ইস্যুভিত্তিক সমর্থন চাওয়া হতে পারে। কারণ, সরাসরি ডিএমকের সঙ্গে জোটে যাওয়া এই মুহূর্তে দুই দলের পক্ষেই কঠিন। ডিএমকে দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির রাজনীতির বিরোধিতা করে আসছে। তাছাড়া সরাসরি জোট করলে ডিএমকের সনাতন বিরোধী অবস্থানের জন্য অস্বস্তিতে পড়তে হবে বিজেপিকেও। সেক্ষেত্রে সংসদে কৌশলগত জোটের কথা ভাবা যেতে পারে। বিজেপি মনে করছে, আচমকা কংগ্রেস ডিএমকের হাত ছেড়ে দেওয়ায় দ্রাবিড়ীয় রাজনীতিতে বড়সড় বদল ঘটে গিয়েছে। ডিএমকে নিজেদের প্রতারিত বলে বোধ করছে।
করুণানিধির দল, মনে করছে কংগ্রেস তাঁদের পিছন থেকে ছুরি মেরেছে। বিজেপি শিবিরের ধারণা, এই পরিস্থিতিতে ডিএমকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনমতো সমর্থন পাওয়া যেতে পারে। অতীতে বাজপেয়ীর সরকারে শরিক ছিল করুণানিধির দল। তারপর অবশ্য দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে ছিলেন স্ট্যালিন।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ডিএমকে নেতাদের উদ্দেশে বার্তা পাঠানো শুরু হয়েছে। সরাসরি জোট না হলেও সংসদে ইস্যুভিত্তিক সমর্থনও যদি পাওয়া যায়, তাহলেও আগামী দিনে দক্ষিণী এবং জাতীয় রাজনীতিতে বড় বদল আসতে পারে।
