
ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে ভেঙে পড়া চার্টার্ড বিমানের কোনও ব্ল্যাকবক্স পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার তদন্তের সঙ্গে জড়িত এক সূত্র এমনই দাবি করেছে।
আর এটাই এখন কারণ অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে অসামরিক বিমান পরিবহণের নিয়ম বলছে, কোনও বিমানের ওজন যদি ৫ হাজার ৭০০ কেজি কম হয়, সে ক্ষেত্রে ককপিট ভয়েস রেকর্ডার অথবা ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডারস থাকাটা বাধ্যতামূলক নয়।
বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, এই বিমানের ব্ল্যাকবক্স না পাওয়া গেলে সে ক্ষেত্রে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সূত্র ধরেই ভেঙে পড়ার কারণ খুঁজে বার করতে হবে। এ ছাড়াও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।





