
মেদিনীপুর মেডিক্যালে প্রসূতি মৃত্যুতে তোলপাড়ের পড়েও এনআরএস, আর জি কর, ন্যাশনাল মেডিক্যালে রোগীদের ব্ল্যাকলিস্টেড রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি স্যালাইন বহাল তবিয়তে চলছে সরকারি হাসপাতালে। সমস্ত হাসপাতালকে ৭ তারিখ সরকার নোটিস পাঠানোর পরেও স্যালাইনের স্টক ক্লিয়ারেন্স চলেই যাচ্ছে। প্রসূতি বিভাগে দেদার ব্যবহৃত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের রিঙ্গার ল্যাকটেট স্যালাইন। ওটিতে প্রসূতিদের অপারেশনে ব্যবহৃত হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি স্যালাইন। ২০২৪-এ কর্নাটকে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালের সরবরাহ করা স্যালাইন নিয়ে ২৭টি অভিযোগ জমা পড়ে। এরপরেই গতবছর ৩ ডিসেম্বর কর্নাটকে এই স্যালাইনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে স্যালাইনের ১৬টি নমুনা ল্যাব টেস্টে ফেল করে। এরপরেই কর্নাটক সরকার এই সংস্থার স্যালাইনকে ব্ল্যাকলিস্টেড করে। কর্নাটের স্বাস্থ্য সচিব কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগকে বিষয়টা জানায়। এরপরেই কেন্দ্র, রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগ চোপড়ার তিনমাইল হাটে সংস্থার প্ল্যান্টে অভিযানে যায়। এরপরেই ১০ ডিসেম্বর উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ জারি করে রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল।
৭ জানুয়ারি নোটিস দিয়ে স্বাস্থ্য দফতর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কিভাবে মেদিনীপুর মেডিক্যালে স্যালাইন প্রয়োগ করা হয়েছে প্রসূতিদের শরীরে তা নিয়ে এখন তোলপাড় রাজ্য।
