
চলতি বছরে গান নিয়ে বিশ্বভ্রমণে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার মেয়েদের গানের ব্যান্ড,ব্ল্যাকপিংক।
দলটির এজেন্সি ওয়াইজি এন্টারটেনমেন্ট এক টিজার ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে এই ঘোষণা করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এটিই হতে যাচ্ছে ব্ল্যাকপিংকের প্রথম সবচেয়ে বড় ভ্রমণ। তবে এখনই সফর শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ ও গন্তব্য প্রকাশ করেনি তারা।এর আগে ২০২২ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বর্ন পিংক ট্যুরে বিশ্ব ঘুরেছে লিসা, জেনিরা,ওই সফরে বিশ্বের ৩৪ শহরের ১৮ লাখ শ্রোতাদের গান শুনিয়েছে মহিলাদের গানের এই দলটি। এদিকে, গত মাসে ব্ল্যাকপিংকের শিল্পী কিম জিসুর ভালোবাসা দিবসে তার সিঙ্গেল অ্যালবাম নিয়ে আসার ঘোষণা করেছিলেন।উল্লেখ্য,মেয়েদের মিউজিক গ্রুপ ব্ল্যাকপিংকের যাত্রা শুরু ২০১৬ সালের ৮ অগাস্ট। হুইসেল এবং বুমবায়াহ গান দুটো নিয়ে ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম,স্কয়ার ওয়ান।তখনই বিলবোর্ড চার্টে শুরু হয়ে যায় তোলপাড়। এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে অ্যালবামটির ১০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়। বিলবোর্ডের টপচার্টে শীর্ষস্থান দখল করে নেয় অ্যালবামটি। এরপর ২০১৮ সালের শুরুতে আন্তর্জাতিকভাবে নজরে আসে ব্ল্যাকপিংক। ব্রিটিশ শিল্পী ডুয়া লিপার সঙ্গে ব্যান্ডের গাওয়া,কিস অ্যান্ড মেকআপ গানটি সে বছর সাড়া ফেলে।২০২০ সালে মুক্তি পায় তাদের প্রথম স্টুডিও অ্যালবাম,বর্ন পিংক। ওই বছরের অগাস্টে পিংক ভেনম শিরোনামের গানটি নতুন করে আলোচনায় আনে দলটিকে।এরপর ওই মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের এমটিভি ভিডিও অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চ মাতায় কোরিয়ান ব্যান্ড দলটি। তাদের সর্বশেষ সাফল্য হল ব্রিটেনের চার্টে শীর্ষস্থান দখল করা। এ দলের পাঁচটি মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে ১০০ কোটি বার দেখা হয়েছে। ৮ কোটির বেশি সাবক্রাইবার রয়েছে তাদের।এদিকে,ব্ল্যাকপিংকের দুনিয়াজোড়া খ্যাতির পেছনে দলের সব সদস্যের জন্মস্থানের বৈচিত্র্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। যেমন,২৬ বছর বয়সী রোজের জন্ম নিউ জিল্যান্ডে আর বেড়ে ওঠা অস্ট্রেলিয়ায়,তার মূল নাম রোজেন চেইয়ং।
২৭ বছর বয়সী জেনি কিমের জন্ম দক্ষিণ কোরিয়ায় হলেও এই গায়িকা বড় হয়েছেন নিউ জিল্যান্ডে। আর দলের নৃত্যশিল্পী লিসা থাইল্যান্ডের, তার আসল নাম লালিসা মনোবাল।আর চতুর্থজন,জিসু কিম একমাত্র সদস্য, যার জন্ম এবং বেড় ওঠা সবই দক্ষিণ কোরিয়ায়।








