
গরমকালে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্লাড সুগারের মাত্রাও বাড়তে পারে। শুরুতেই সতর্ক না হলে বড় সমস্যায় পড়বেন। তাই গরমের শুরুর দিক থেকেই কয়েকটি নিয়ম মেনে চলা শুরু করে দিন। তাহলে আর ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়তে পারবে না।
এখন প্রশ্ন হলো গরমে কোন কোন নিয়ম মেনে চললে হঠাৎ ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়বে না। শরীর হাইড্রেটেড রাখা জরুরি। গরমকালে এমনিতেই ডিহাইড্রেশনের সমস্যা বাড়ে।তাই গরমের দিনে পরিমিত পরিমাণে জল খাওয়া জরুরি। সকালটা তাই শুরু করুন জল দিয়ে। ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কিছুটা জল খেতে পারেন। তবে সাতসকালে খালি পেটে অনেক জল মোটেই খাবেন না।এতে গা গুলিয়ে বমি হয়ে যেতে পারে। তাই গরমকালে সানস্ক্রিন না লাগিয়ে বাড়ির বাইরে বের হবেন না। এই তথ্য নতুন কিছু নয়। আসলে বেঁচে থাকতে হবে সানবার্ন থেকে। অনেক সময়েই সানবার্নের কারণে ত্বকে বেশ ভালো রকমের ইনফেকশন হতে পারে।মূলত এগুলো ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহজনিত সমস্যা। আর ত্বকের এইসব সমস্যা থেকে কিন্তু ডায়াবেটিসের সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়তে পারে। তাই সাবধানে থাকা জরুরি। আবার,যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে তাদের বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই দেখা যায় সুগার হয় একলাফে বেড়ে যাচ্ছে, নয়তো কমে যাচ্ছে। ব্লাড সুগার স্পাইক অর্থাৎ আচমকা ডায়াবেটিসের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যাওয়ার সমস্যা এড়াতে ক্যাফেইন ও চিনি যুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকা জরুরি। অন্যদিকে গরমের দিনে অনেক সময়েই আরাম পেতে আমরা কোল্ড কফি খেয়ে থাকি। কিংবা খেয়ে থাকি ফ্রুট জুসসহ একাধিক পানীয়। এগুলোতে থাকে অ্যাডেড সুগার। আর এই অতিরিক্ত চিনিই একধাক্কায় ব্লাড সুগারের মাত্রা অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি,দৈহিক তাপমাত্রা বেড়ে গেলে তার প্রভাবেও ডায়াবেটিসের মাত্রা চড়তে পারে।
তাই গরমের দিনে ঢিলেঢালা পোশাক পরুন এবং আরামদায়ক পোশাক পরতে পারলে ভালো। যেমন, সুতির পোশাক। এর ফলে আপনি আরাম যেমন পাবেন, তেমনই নিয়ন্ত্রণে থাকবে দৈহিক তাপমাত্রা এবং নিয়ন্ত্রণে থাকবে ব্লাড সুগারের মাত্রাও।
