শীতে ভুলে বাড়বে ব্লাড সুগার

0
171
ছবি সৌজন্যে : প্রতিনিধিত্বমূলক

এখন অল্প বয়সেই শরীরে হানা দিচ্ছে ডায়াবেটিস। আর শীতকালে চুপিসারে বাড়ে ব্লাড সুগার।

এই শীতের সিজনে তাপমাত্রার সঙ্গে সঙ্গেই বদলে যেতে থাকে জীবনধারা। শরীরচর্চায় অনীহার সঙ্গেই বাড়ে বাইরের খাওয়াদাওয়া। আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি পড়ে শারীরবৃত্তীয় নানা কাজের ওপর। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের প্রভাবে বিঘ্নিত হয় রক্তে শর্করার ভারসাম্য।এদিকে,আমাদের কিছু ভুলে এই ডায়াবেটিস হুড়হুড় করে বেড়ে যায়। তাই এই শীতকালে ডায়াবেটিসকে বশে রাখতে মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম।এই অবস্থায় শীতে ডায়েটের দিকে নজর দিন। শীতের সন্ধ্যায় গরম ধোঁয়া ওঠা হট চকোলেট বা পিঠে পুলি খেতে তো বেশ লাগে, কিন্তু এতে তরতরিয়ে বাড়তে পারে ডায়াবেটিস। তাই বেশি মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না।সেইসঙ্গে কোমল পানীয়, ভাজাভুজি বা প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিতে পারলেই ভালো।ওদিকে যতই আলস্য লাগুক না কেন, শীতের সিজনে শারীরিক কার্যকলাপ কমিয়ে দিলে চলবে না। সারা দিন শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন।শরীরচর্চায় ফাঁকি দিলে ডায়াবেটিসকে জব্দ করা মুশকিল। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি কিংবা ঘাম ঝরে এমন ব্যায়াম করুন।পাশাপাশি,মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। শরীরে স্ট্রেস হরমোন বেড়ে গেলে শর্করা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই শীতে মানসিকভাবে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে। অন্যদিকে শীতকালে সূর্যের আলো কম থাকায় ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দেখা দেয়। যা শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ায়। তাই ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত আছে কি না, রক্ত পরীক্ষা করে দেখে নিতে পারেন।

আবার,শীতের সিজনে গরমের পোশাক পরলেও হাত-পায়ের পাতা গরম রাখতে আলাদা করে যত্ন নেওয়া হয় না। কিন্তু ডায়াবেটিস থাকলে শীতকালে হাত-পায়ের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য বিশেষভাবে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।