
তাঁর মেয়ের হাতে চ্যানেল ছিল, তিনি ঘুণাক্ষরেও জানতেন না। তমলুকে মহিলা অ্যানাস্থেটিস্ট শালিনী দাসের মৃত্যুতে বিস্ফোরক এই দাবি করেছেন তার মা। তাঁর দাবি, শুক্রবার হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান মেয়ে। এরপরই হাতের চ্যানেল থেকে রক্তপাত শুরু হয়।
পরে তাঁকে তমলুক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু কেন হঠাৎ চিকিৎসকের হাতে চ্যানেল করা হল, তার কি কোনও অসুখ ছিল, এই সমস্ত প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জানা যাচ্ছে, মৃত ডাক্তার শালিনী দাস অ্যানাস্থেশিয়োলজি নিয়ে মাস্টার ডিগ্রি পান আরজি কর মেডিকেল কলেজ থেকে। প্রথম দু বছর তাম্রলিপ্ত মেডিক্যালে সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসাবে ছিলেন। তারপর তৃতীয় বছরে কাঁথির হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন তিনি। আরজি কর মেডিক্যালে অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগ সূত্রে খবর, অল্প বয়স থেকেই রক্তচাপ জনিত সমস্যা থাকার জন্য নিয়মিত ওষুধ খেতে হত মৃত শালিনী দাসকে।
তবে মৃত চিকিৎসকের ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতে জানা গিয়েছে, আচমকা হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হতে পারে শালিনী দাসের। তবে হাতের চ্যানেলে পুশ করা ওষুধের বিক্রিয়ার জেরে মৃত্যু কিনা, তা ঘিরেও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভিসেরা পরীক্ষার পর গোটা ব্যাপারটা পরিস্কার হবে বলে জানা গিয়েছে।
