
বাংলাদেশে নয়, ভারতে রাষ্ট্রপুঞ্জের শান্তিবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সোমবারই বিধানসভায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রের কাছে রাষ্ট্রপুঞ্জের শান্তিসেনা পাঠানোর আর্জি জানিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার ঢাকা থেকে জাহিদুল ইসলাম রনি জানিয়েছেন, সাংবাদিক বৈঠকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জানিয়েছেন, পাশ্চাত্য চিন্তাধারার লোকজন ভারত শাসন করছে। ভারতের শাসকগোষ্ঠী সাম্প্রদায়িকতাকে আশকারা দিচ্ছে। শেখ হাসিনার পতন হওয়ায় তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে। ভারতের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে।বাংলাদেশে নয়, ভারতে শান্তিবাহিনী মোতায়েন দরকার। বাংলাদেশের হাইকমিশনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে ভারত। জনগণ কী চায় তা গুরুত্ব না দিয়ে আগ্রাসনের পথে হাঁটতে চায় ভারত। বিজেপির প্রত্যক্ষ মদতে বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণ রুখে দাঁড়াবে।তিনি আরও বলেছেন, যারা নিজের দেশে নির্যাতন চালাচ্ছে, তাদের বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলার কোনও অধিকার নেই।
বাংলাদেশে কোনও বিভাজন নেই, বিভাজনের রেখা তৈরি করছে দিল্লি। বাংলাদেশের মানুষ কখনও বিভাজনের চেষ্টা মানেনি। ভারতের সুদূরপ্রসারী আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা সফল হবে না।
