নীলবাতি গাড়িতে দেহ পাচার! বিডিও ক্লোজ নয় কেন, প্রশ্ন সুকান্ত-র

0
92
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব

নীলবাতি গাড়িতে করেই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর দেহ নিয়ে যাত্রাগাছির খালের ধারে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। জেরায় স্বীকার করেছে পুলিশের হাতে গ্রেফতার ২ অভিযুক্ত। স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত বিডিও-র গাড়ির চালক রাজু ঢালি এবং বন্ধু পেশায় ঠিকাদার তুফান থাপাকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার আদালতে তোলা হলে বিচারক ১২ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ২ অভিযুক্তকে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে অপহরণ করে মারধরের সময় সময় ৬ জন ছিলেন। যাদের মধ্যে ৫ জনই উত্তরবঙ্গের বাসিন্দা। অভিযুক্ত বিডিও প্রশান্ত বর্মন ছিলেন বলে দাবি পুলিশের। জেরায় দুই অভিযুক্ত জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিলাকে অপহরণ করে নিউটাউনের ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেল্ট, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। মারধরের সময় আচমকাই মাথার পিছনে আঘাতের জেরে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন স্বপন। তারপরেই মৃত্যু হয় তাঁর। এরপরেই দেহ নীলবাতি গাড়িতে করেই যাত্রাগাছিতে খালের ধারে দেহ ফেলে দেওয়া হয়। খুনের পরের দিন গ্রেফতার হওয়া বিডিও ঘনিষ্ঠ তুফান ড্রাইভাইরের সঙ্গে বিমানবন্দরে যায়, সেখান থেকে উত্তরবঙ্গের বিমানে ওঠে।

বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে এখনও ক্লোজ করা হয় নি কেন, প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার। স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে রাজগঞ্জের বিডিওর বিরুদ্ধে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেছেন এতদিনে তো গ্রেফতার হয়ে চাকরি চলে যাওয়া উচিত ছিল।