
বিমান দুর্ঘটনায় মৃতদের অধিকাংশের লাশই চেনা যাচ্ছে না। দ্রুত তা শনাক্ত করার জন্য পরিবারের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা চেয়েছে গুজরাত প্রশাসন। অহমদাবাদের বিজে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডিএনএ নমুনা দিতে বলা হয়েছে।দেহ শনাক্তকরণের কাজ তবে দ্রুত সম্ভব হবে, এমনটাই জানিয়েছেন গুজরাতের স্বাস্থ্য দফতরের সহকারী মুখ্যসচিব ধনঞ্জয় দ্বিবেদী।
সাংবাদিক বৈঠকে ধনঞ্জয় বলেছেন, এয়ার ইন্ডিয়ার এআই১৭১ বিমানে ২৩০ যাত্রী ছিলেন। বিমানকর্মী ছিলেন আরও ১২ জন। বেলা ১টা ৪০ নাগাদ ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে ওই বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। যেখানে বিমানটি ভেঙে পড়েছে,সেখানে অহমদাবাদ সিভিল হাসপাতালের পড়ুয়া এবং কর্মীরা থাকতেন।সেখানেও অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।ঘটনাস্থল থেকে ৫০ জনের বেশি আহতকে সিভিল হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসা চলছে।
ডিএনএ নমুনার কথা জানিয়ে এর পরেই ধনঞ্জয় বলেছেন,যাঁদের আত্মীয়, নিকটজনেরা দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানে ছিলেন, তাঁদের অনুরোধ করা হচ্ছে, বিজে মেডিক্যাল কলেজে এসে ডিএনএ নমুনা দিয়ে যান। যাতে মৃতদেহগুলি দ্রুত শনাক্ত করা যায়।এ ছাড়া, বিমানে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের সম্বন্ধে কারও কিছু জানার থাকলে দু’টি হেল্পলাইন নম্বর খোলা হয়েছে। সেখানে যোগাযোগ করা যাবে। যাত্রীদের আত্মীয়দের অপেক্ষা করার জন্য মেডিক্যাল কলেজের একটি ভবন খুলে দেওয়া হয়েছে।







