
থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া সীমান্তে বিষ্ণুমূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় বয়কট থাইল্যান্ডের ডাক নেটিজেনদের। যা আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং।
ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের কড়া বিবৃতির পর এবার নেটিজনদের রোষে থাইল্যান্ড সরকার। আর তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন পর্যটন নির্ভর অর্থনীতির এই দেশ। থাইল্যান্ডের পর্যটকদের বেশির ভাগই ভারতীয়। থাইল্যান্ড সরকার এই ইস্যুতে সাফাই দিয়ে বলেছেন, ওই স্থানটি কোনও ধর্মীয় স্থান ছিল না।
সীমান্তে নিরাপত্তার কারণেই সেনাবাহিনী এই পদক্ষেপ করেছে। কারও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্য আমাদের ছিল না। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে কম্বোডিয়ার একটি মন্দিরে ওই ৩২৮ ফুট বিষ্ণুমূর্তিটি স্থাপন করা হয়। যে এলাকায় মূর্তিটি রয়েছে, সেটির কাছেই থাইল্যান্ড সীমান্ত। থাইল্যান্ড – কম্বোডিয়া এই দুই দেশের সংঘাতের মাঝেই সেই মূর্তি গুঁড়িয়ে দেয় থাইল্যান্ডের সেনা।








