গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

30 C
Kolkata
30 C
Kolkata
More
    Home Entertainment গতির ঝড়ে এলোমেলো করে দিলেন ব্র্যাড পিট

    গতির ঝড়ে এলোমেলো করে দিলেন ব্র্যাড পিট

    0
    92
    ছবি সৌজন্যে : এক্স

    বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও চমকপ্রদ খেলাগুলোর একটি,ফর্মুলা ওয়ান। এই ফর্মুলা ওয়ানের দুনিয়াকে এবার পর্দায় তুলে ধরেছেন পরিচালক জোসেফ কোসিনস্কি। যাঁরা ফর্মুলা ওয়ান রেসের খুব একটা ফ্যান নন, তাঁরাও সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হবেন। দৈর্ঘ্য আড়াই ঘণ্টার বেশি, অথচ পর্দা থেকে চোখ ফেরাতে পারবেন না।

    ইঞ্জিনের গর্জন, টায়ারের ঘর্ষণ, ফর্মুলা ওয়ানের রেসিং ট্র্যাক, দুর্দান্ত ক্যামেরার কাজ আর অতি অবশ্যই আবহসংগীত সিনেমার শুরু থেকেই দর্শকদের আটকে ফেলে। একদিকে রেসের উত্তেজনা, অন্যদিকে আবেগের উত্থান-পতন মিলিয়ে দারুণ এক উপভোগ্য জার্নি,এফ ওয়ান।২০২২ সালে ,টপ গান ম্যাভেরিক সিনেমায় দর্শকদের যুদ্ধবিমানের অভিজ্ঞতা দিয়েছিলেন পরিচালক। আকাশ থেকে এবার মাটিতে নেমে এসেছেন তিনি। ফর্মুলা ওয়ানের খোলা ককপিটে বসিয়ে এবার দিলেন গতির সঙ্গে রোমাঞ্চকর উত্তেজনা। গল্পের ধাঁচ অনেকটা নেটফ্লিক্সের তথ্যচিত্র ফর্মুলা ওয়ান ড্রাইভ টু সারভাইভ থেকে অনুপ্রাণিত। গল্প লিখেছেন এহরেন ক্রুগার। চিত্রনাট্য এহরেন ও জোসেফ,দুজন মিলে লেখা। আর প্রযোজকদের একজন ছিলেন ফর্মুলা ওয়ান চ্যাম্পিয়ন লুইস হ্যামিল্টন। প্রযোজক নিজেই যখন ফর্মুলা ওয়ান চ্যাম্পিয়ন,তখন এ সিনেমায় খেলাটা কতটা সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে,তা বলাই বাহুল্য।৩০ বছর আগে দুর্ঘটনায় ফর্মুলা ওয়ানের রেস থেকে ছিটকে পড়েন সনি হেইস,ব্র্যাড পিট। একসময়ের প্রতিভাবান রেসার এখন ভবঘুরে আর পাঁড় জুয়াড়ি। নিউইয়র্কে মাঝেমধ্যে তাঁকে ট্যাক্সি চালাতেও দেখা যায়। কিন্তু স্টিয়ারিং হুইল হাতে পেলে এখনো হয়ে ওঠেন বেপরোয়া। ঘুম থেকে উঠেই চলে যান ডেটোনা সার্কিটে, সেখানে অংশ নেন ২৪ ঘণ্টার রেসে। গাড়ির সিটে বসার পর শূন্য থেকে যখন নিমেষেই গাড়ির স্পিড ১৮০–তে উঠে যায়, তখন দর্শকেরাও যেন সেই সেকেন্ড থেকে ঢুকে পড়েন রেসিংসের টান টান উত্তেজনার দুনিয়ায়।বড় পর্দায় না দেখলে এফ ওয়ান-এর আসল মজাটা ঠিক পাওয়া যাবে না। কখনো যিনি ড্রাইভিং সিটে বসেননি, সিনেমার এক পর্যায়ে তাঁরও মনে হবে, নিজেই চালাচ্ছেন রেসিং কার।

    ক্যামেরার বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে শুরু করে গাড়ির স্টিয়ারিং কিংবা চাকার ঘোরা,প্রতিটি দৃশ্যে দর্শক যেন রেসিং স্যুট পরে সিটে বসে আছেন।ট্র্যাকের ওপর গাড়ির স্পিড, বাঁক নেওয়া, রেসের ভেতরে সংঘর্ষের মুহূর্তগুলো ছিল শ্বাসরুদ্ধকর। প্রতিটি মুহূর্তে রিয়েল টাইম অনুভূতি দেয় এ সিনেমা। চিত্রগ্রাহক ক্লদিও মিরান্দা এখানে ভালো কাজ করেছেন।