
রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে আলো ছড়ালেও পারছিলেন না ব্রাজিলের জার্সিতে। সেই ভিনিসিয়ুসতেই এবার বিশ্বকাপে উড়ছে ব্রাজিল। তিনি হাসলেই হাসছে ব্রাজিলও।
মায়ামি স্টেডিয়ামেও তার জোড়া গোলে প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল সেলেসাওরা।পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ীদের হয়ে অন্য গোলটি করেন ম্যাথিউস কুনহা। এ জয়ে সি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ব্রাজিল। বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে ৪ গোল করেছেন ভিনি।টানা ৩ ম্যাচে গোল পাওয়া ভিনিই আবার সেলেসাওদের হয়ে আগের ৪৯ ম্যাচে করেছেন মাত্র ৯ গোল।ম্যাচের ৭ মিনিটে ডি বক্সে বল পেয়ে সহজেই স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেন রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার।অ্যাঙ্গাস গানের অবশ্য কিছু করারই ছিল না। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড রায়ানের পায়ে মারেন। সেই বল ডি বক্সে আনমার্কড থাকা ভিনিসিয়ুস পান। তাতে সহজেই গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাসকে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস। ২২ মিনিট আরেকটি গোল করেছিলেন ভিনি। গোল করার পর কর্নারের ফ্ল্যাগ হাতে সাম্বা ড্যান্সে মাতলেন তিনি। কিন্তু নাচ শেষ করতেই শুনতে পেলেন বাতিল হতে পারে তার দ্বিতীয় গোলটি। ভিএআরে দেখার পর রেফারিও তাই করলেন।মনিটরে দেখে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের দ্বিতীয় গোলটি করলেন বাতিল। বল পাওয়ার আগে ভিনির পা সামনে থাকলে জ্যাক হেনড্রি ভারসাম্য হারালে সেই সুযোগ কাজে লাগান তিনি। কিন্তু ভিএআরে সেটাকেই ফাউল ধরে। এ নিয়ে তাই বিতর্ক থেকেই গেল। বিরতিতে যাওয়ার আগে লিড বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। ভিনির পাস থেকে বলকে জালের পথ দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন ম্যাথিউস কুনহা। তার শট প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে জালে যাওয়ার আগে গোলরক্ষকের পায়ে লেগে বাইরে যায়। অতিরিক্ত সময়ে অবশ্য ঠিকই ২-০ লিড নিয়েছে। এবারের গোলের নায়কও ভিনি। অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে সতীর্থ ব্রুনো গুইমারেসের ক্রসে শুধু ফাঁকা জালে হেড নিতে হয়েছে ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুসকে।অন্যদিকে অতিরিক্ত সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে অবিশ্বাস্য মিস করে বসেন রায়ান। গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি ফরোয়ার্ড রায়ান। বিরতি শেষে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল স্কটল্যান্ড। তবে ৪৮ মিনিটে নেওয়া স্কট ম্যাকটমিনির হেড সরাসরি গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের হাতে যায়। অন্যদিকে ৫১ মিনিটে হ্যাটট্রিকের দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন ভিনি।
তবে বলটা ঠিক মতো প্লেসমেন্ট করতে না পারায় পা দিয়ে সেভ দেন গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস। ৬০ মিনিটে অবশ্য তাকে ঠিকই পরাস্ত করলেন কুনহা। ব্রাজিলের তৃতীয় গোল করার পর তার ট্রেডমার্ক ড্যান্স দিলেন তিনি। সার্ফিংয়ের মতো করে।
