
২২ টা বিনিদ্র রাত কাটিয়েছেন পূর্ণমের পরিবার। শেষপর্যন্ত ছেলের মুক্তির খবরে স্বস্তি ফিরেছে রিষড়ার সাউ পরিবারে।
এদিকে স্বামীর ঘরে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন সন্তানসম্ভবা স্ত্রী রজনী সাউ। ভারতের প্রবল চাপে বিএসএফ জওয়ান পূর্ণমকুমার সাউকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান। ভারতের আরও এক কূটনৈতিক জয় দেখল বিশ্ব। বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় পাঞ্জাবের আটারি ওয়াঘা সীমান্তে পূর্ণমকুমার সাউকে হস্তান্ত করা হয়। পূর্ণমের পরিবার জানিয়েছে মঙ্গলবার রাতেই ফোন পেয়েছিলেন দিল্লি থেকে। কিন্তু তখন বিশ্বাস করতে পারেন নি তারা। এরপর বুধবার সকালে পূর্ণমের ঘরে ফেরার ফোন পেতেই স্বস্তি ফেরে সাউ পরিবারে।
কার্যত উৎসবের ছবি সাউ পরিবারে। মিষ্টি বিলিও করা হয়। ২৩ এপ্রিল পাক রেঞ্জার্সদের হাতে বন্দি হওয়ার পর পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের জটিলতা তৈরি হতে কার্যত আশা ছেড়ে দিতে বসেছিলেন সাউ পরিবার।
স্বামীর মুক্তির জন্য অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই বিএসএফের সদর দফতরে পৌঁছে গিয়েছিলেন স্ত্রী রজনী সাউ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ফোনে আশ্বাস দিয়েছিলেন।
