
ডিএ দিতে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তা জোগাড়ে ব্যর্থ রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রর বেঞ্চের শুনানিতে আরও একবার স্পষ্ট করেছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও ২৭ জুনের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ২৫ শতাংশ মেটায়নি রাজ্য সরকার।
উল্টে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশের আড়াই মাস পর রাজ্য সরকারের বক্তব্য, বকেয়া ডিএ বাবদ কত টাকা দিতে হবে তা তো হিসাব করা হয়নি। এ জন্য অন্তত দু’মাস সময় লাগবে। মঙ্গলবার রাজ্যের এই সওয়াল শুনে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা তাঁদের পর্যবেক্ষণে বলেন, হিসাব করে কিছু অন্তত মিটিয়ে দিক সরকার। শুনানির শুরু থেকেই ডিএ-র কি আদৌ সরকারি কর্মীদের মৌলিক অধিকার, তা নিয়ে সওয়াল-জবাব শুরু হয় সরকারি কর্মচারীদের আইনজীবী ও রাজ্য সরকারের আইনজীবীদের তরফে। রাজ্যের যুক্তি কর্মচারীদের ডিএ মৌলিক অধিকারের আইনি স্বীকৃতি নেই। রাজ্যের যুক্তি, ট্রাইবুনাল বলে দিতে পারে না কেন্দ্রীয় ইনডেক্স মেনে টাকা দিতে হবে। এরপরই বিচারপতি রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বলকে স্মরণ করিয়ে দেন, এই মামলায় যে রায় দেওয়া হবে, তা সব রাজ্যকে প্রভাবিত করবে। যুক্তরাষ্ট্রের কাঠামোর ক্ষেত্রে এই রায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র বলেছেন, যে রাজ্যগুলি ফর্মুলা কেন্দ্রীয় সরকার মেনে চলে, তা মানে না, তাদেরকে প্রভাবিত করতে পারে।
তবে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিব্বল স্পষ্টভাবে এদিন এটাও বুঝিয়ে দেন, রাজ্য সরকারকে কেউ ঋণ নিতে বাধ্য করতে পারে না। মঙ্গলবারের শুনানিতে, রাজ্যের আইনজীবী সওয়াল করেছেন। বুধবার ফের এই মামলার শুনানি। বুধবার সওয়াল করবেন সরকারি কর্মচারীদের আইনজীবী।





