
মালদহের মোথাবাড়িতে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তেজনার ফলে এলাকায় ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকেই উত্তেজনা, সংঘর্ষে পারদ চড়েছে উত্তরবঙ্গের এই সীমান্তবর্তী অঞ্চলে।
ইতিমধ্যে শাসকদলের বিরুদ্ধে নীরব থাকার অভিযোগ তুলে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। জানা গিয়েছে, মোথাবাড়ি এলাকার অশান্তিতে সীমান্ত পরিচালনায় বেগ পেতে হচ্ছে বিএসএফ-কে। মালদহের মোথাবাড়ি-সহ একাধিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে অশান্তির রেশ। সুকান্ত ঘনিষ্ঠদের দাবি, ওই এলাকায় আরও বাহিনী মোতায়েনের আর্জি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিকে, এই ঘটনায় কলকাতা সহ রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে সামিল হয়েছে বিজেপি। মালদহের মোথাবাড়িতে ঘর ভাংচুর মারধর মারা যায় না কি জন্য আজকে দক্ষিণ কলকাতা বেহালা ৪ নম্বর মণ্ডলের পক্ষ থেকে ঠাকুরপুকুর থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ দেখিয়েছে। এছাড়াও জাতীয় সড়কের উপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুওলিকা দাহ করে, বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা, নেতৃত্ব দেন ডালিয়া ঘোষ বসু সভাপতি মণ্ডলের। অন্যদিকে,বিজেপির প্রতিনিধি দলকে মোথাবাড়ির অনেক আগেই আটকে দেয় পুলিশ। এরপর রাস্তাতেই বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে মোথাবাড়িতে চলছে পুলিশের টহল। এলাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। একইভাবে,মালদহের মোথাবাড়িতে প্রতিবাদে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাঁকুড়া স্টেশন মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা বাঁকুড়া স্টেশন মোড় থেকে মিছিল করে প্রথমে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে।
পরে ফের স্টেশন মোড় এলাকায় এসে কিছুক্ষণের জন্য পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। এই ঘটনায় দোষীদের দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে সেক্ষেত্রে আগামীদিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
