
হাইকোর্টের শর্ত মেনে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে অভয়ার বিচারের দাবিতে রাতেই ধর্নায় বসেছেন সিনিয়র চিকিৎসকরা। ধর্নার অনুমতি চেয়ে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম ডক্টর্স হাইকোর্টে আবদেন করেছিল। এরপরেই শুক্রবার ডোরিনা ক্রশিং থেকে ৫০ ফুট ছেড়ে ৪০ ফুটের মঞ্চ বাঁধার অনুমতি দেয় হাইকোর্ট।
পাশাপাশি ২০০ থেকে আড়াশো জনের বেশি ধর্নামঞ্চে জমায়েত করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। এমনকি মঞ্চ থেকে উস্কানিমূলক মন্তব্য করা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এরপরেই বিকেল থেকে মঞ্চ বাঁধার কাজ শুরু হয়। পুলিশের তরফে বায়ো টয়লেট পাঠানো হয়। হাইকোর্টে রাজ্যের তরফে সওয়াল করা হয় যেখানে ডাক্তাররা ধর্নার জন্য অনুমতি চেয়েছেন সেখানে অনুমতি দিতে রাজি নয় পুলিশ। রাজ্য কিছু সংগঠনকে এমনিতেই অনুমতি দেয়। রানি রাসমনি অ্যাভিনিউয়ে দক্ষিণ শাখার জন্য কাউকে আদালতে লড়াই করতে হয়, আবার কেউ মাঝের লেনে সভা সমাবেশ করে।
এই দ্বিচারিতা গ্রহণযোগ্য নয়। কাউকে অনুমতি দেওয়া যাবে না বিজ্ঞপ্তি দিক রাজ্য। আদালতে রাজ্যকে উদ্দেশ্য করে মন্তব্য করেন বিচারপতি। অভয়ার দ্রুত বিচারের দাবিতে সিবিআইকে চার্জশিট দিতে হবে, এবং সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য এনওসি দিতে হবে রাজ্যকে। মূলত এই দুই দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন সিনিয়র ডাক্তাররা।
