
পশ্চিমবঙ্গের কোনও পরিযায়ী শ্রমিককে গ্রেফতার করা হয়নি। ভারতের নাগরিক কিনা, সন্দেহ দূর করতেই আটক করা হয়েছিল। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে জানিয়েছে ওড়িশা সরকার।
সওয়াল জবাবে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান ওড়িশার অ্যাডভোকেট জেনারেল। আদালতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করে বলেছেন ওড়িশায় প্রায় ৪০০ জন বাঙালি আটকে রয়েছেন। তাঁদের প্রতি অবিচার, হেনস্থা করা হচ্ছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের প্রতিবাদ করে ওড়িশার এজি জানিয়েছেন তাঁরা বাঙালি বিদ্বেষী নন। পশ্চিমবঙ্গ তো প্রতিবেশী। ওড়িশার বহু মানষ পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন, আবার পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষ ওড়িশাতেও থাকেন। ওড়িশা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিজেও একজন বাঙালি। এরপরেই ওড়িশা সরকারকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে বলেছে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ। ২৮ অগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এরাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের কেন আটক করে রাখা হয়েছে, ওড়িশা সরকারের কাছে জানতে চেয়েছিল হাইকোর্ট।
বুধবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে ওড়িশার অ্যাডভোকেট জেনারেল পীতম্বর আচার্য জানিয়েছেন কোনও পরিযায়ী শ্রমিককেই গ্রেফতার করা হয়নি। তারা ভারতীয় নাগরিক কিনা তা খতিয়ে দেখতেই আটক করা হয়েছিল। কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। বৈদেশিক আইন মেনেই তথ্য যাচাই করা হয়েছে।







