
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুই হয়নি। মেদিনীপুর মেডিক্যালে ২ বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট বদলে গেল এসএসকেএমে।
আর তাতেই ক্ষুব্ধ বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন।১১ জুলাই খেজুরিতে রাতে জলসা দেখতে গিয়ে উদ্ধার হয়েছিল ২ বিজেপি কর্মী সুজিত দাস এবং সুধীর পাইকের দেহ। পরিবারের তরফে প্রথম থেকেই খুনের অভিযোগ করা হচ্ছিল। শুভেন্দু অধিকারীও তাঁর দলের ২ কর্মীকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। খুনের অভিযোগে খেজুরিতে বনধও ডাকে বিজেপি। প্রথমে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্তে বলা হয় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২ বিজেপি কর্মীরা। পরে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল পরিবার। এরপর বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে এসএসকেএমে তিন চিকিৎসকের উপস্থিতিতে ফের ময়নাতদন্ত হয়। সেই রিপোর্টেই বলা হয় মৃতদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মাথাতেও ভারী কিছুর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু সঙ্গে মেলে না। বিদ্যুৎস্পৃষ্টের কোনও লক্ষ্মণই ছিল না দেহে। এই রিপোর্ট হাতে পেয়েই ক্ষোভ উগরে দেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। প্রশ্ন তোলেন তাহলে প্রথম রিপোর্টে সত্য গোপন করা হয়েছিল।
পাশাপাশি জেলার ময়নাতদন্তে নিযুক্ত ডাক্তারদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বুধবার এই মামলার ফের শুনানি রয়েছে।








