
২০২৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি বা ক্যালটেকের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি শেষ হওয়ার পর জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি বা জেপিএলকে কে পরিচালনা করবে তা নিয়ে দরপত্র আহ্বান করেছে নাসা।
ট্রাম্প প্রশাসনের বড় অংকের বাজেট কাটছাঁটের মুখে খরচের লাগাম টানতে ও নতুন অংশীদার খুঁজতেই নাসার এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত।উল্লেখ্য,১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ অবধি ক্যালটেকই এ ল্যাবরেটরিটি পরিচালনা করে আসছে। ফলে নাসার এ সিদ্ধান্তটি বেশ বড় একটি পরিবর্তন। খোদ নাসার জন্মের চেয়েও প্রায় দুই দশক পুরানো এই জেপিএল।অবশ্য এর মানে এই নয় যে ক্যালটেককে সরাসরি বাদ দেওয়া হচ্ছে, বরং নাসা স্রেফ অন্যান্য বিকল্প যাচাই করে দেখছে। আগ্রহী বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করে নাসা একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।সংস্থাটির মতে, আমেরিকার মহাকাশ অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ থেকে ইঙ্গিত মেলে, এই খাতে এখন কার্যকর প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরি হয়েছে।নাসা বলেছে, চুক্তির জন্য এ উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার আয়োজন তাদের বিকল্প ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির সম্ভাব্য সুবিধাগুলো খতিয়ে দেখার সুযোগ করে দেবে। যার মূল লক্ষ্য, অভিযানের সফলতার হার বাড়ানো, নতুন নতুন উদ্ভাবন ও সার্বিক খরচ ও পরিচালন দক্ষতাকে আরও উন্নত করা।
এদিকে,সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসন নাসাকে তাদের কঠোর চাপের মধ্যে রেখেছে এবং কংগ্রেসের কাছে সংস্থার বাজেট ২৩ শতাংশ কমানোর দাবি জানিয়েছে।বাজেটের এ কাটছাঁট সরাসরি জেপিএল-এর ওপরও প্রভাব ফেলবে। সাত ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন ফেডারেল বাজেটের কেবল ০.৩৫ শতাংশ খরচ হয় এ মহাকাশ সংস্থার পেছনে, যা প্রায় ২ হাজার ৪৫০ কোটি ডলার। আর বর্তমানের এই কঠিন সময়ে প্রতিটি পেনির হিসাব রাখাই সংস্থাটির মূল লক্ষ্য।






