
যাঁরা কার্নিভাল নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা আসলে রাজনীতি করছেন। উত্তরকন্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই নিজস্ব স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তাছাড়া দুর্গাপুজোর অনুষ্ঠানটাও ঐতিহ্যের স্বীকৃতি, গর্ব।
সবকিছু আগে থেকে ঠিক করা হয়েছিল। ফলে রাতারাতি এভাবে ক্যান্সেল করা সম্ভব? তাছাড়়া তিনি ওই দিন গিয়ে কি করতেন? পুলিশ, প্রশাসন কাকে সামলাত? হোয়াট ইজ দ্য প্রায়োরিটি। বিপদের সময় মানুষের পাশে থাকা, তাঁদের উদ্ধার করা নাকি ভিআইপি সামলানো, কোন কাজটা করবে প্রশাসন। গত শনিবার অতিবৃষ্টি এবং ধসে বিপর্যস্ত হয় উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। শনিবার রাত থেকেই তিনি এবং তাঁর টিম প্রতিমুহূর্তে খোঁজখবর নিচ্ছিলেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, রবিবার ভোর পাঁচটায় তিনি প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং করেছিলেন। ততক্ষণে স্থানীয় প্রশাসন স্পটে। অর্থাৎ উদ্ধারকাজে কোনও খামতি ছিল না। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তা শুরু করা হয়েছিল। এরপরই বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বন্যা ত্রাণে বাংলাকে এক টাকাও দেওয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও তো লড়াই করে যাচ্ছেন।
দুটো দিন অপেক্ষা করলে তো মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে না, জীবনটা তো আগে। তাই সবার আগে আমরা উদ্ধার কাজে নজর দিয়েছিলেন। নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী এও বলেন, নির্বাচিত সরকারের কথা না শুনে দোষারোপ চলছে!






