
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরই ১২ শতাংশ জিএসটি স্ল্যাব নামতে পারে ৫ শতাংশে, তেমনই সম্ভাবনা ঘোরাফেরা করতে শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে ২৮ শতাংশ জিএসটি কমে হতে পারে ১৮ শতাংশে। তবে যে সমস্ত এসেন্সিয়াল পণ্যে ৪০ শতাংশ জিএসটি ধার্য রয়েছে তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেই সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়েছে।
পরের মাসেই জিএসটি কাউন্সিলের মিটিং রয়েছে। সেখানে এই বিষয়টি উত্থাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে ভারতীয় অর্থনীতির ওপরে বার বার গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ঘরোয়া বাজারে যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমে, সে জন্য উল্লেখ্যয়োগ্য ভূমিকা পালন করবে নেকস্ট জেনারেশ জিএসটি রিফর্ম। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আট বছর পরে সময়ে দাবি, জিএসটির-র রিভিউ করার প্রয়োজন রয়েছে।
এই জন্য একটা হাই পাওয়ার কমিটি তৈরি করা হয়েছে। রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে। এরপরেই নেকস্ট জেনারেশন জিএসটি রিফমের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ওপরে ট্যাক্স অনেকটাই কম হবে।






