
চম্পাহাটির হাড়ালে বাজি বিস্ফোরণে জখম প্রৌঢ়ার মৃত্যু হয়েছে। শঙ্করী সর্দার নামে বছর ৬৪-র ওই মহিলা পিন্টু মণ্ডলের বাজি কারখানায় কাজ করতেন। তাঁর বাড়ি হাড়ালেই।
শনিবার পিন্টু মণ্ডলের বাজি কারখানায় বাজি বিস্ফোরণে ঝলসে গিয়েছিলেন শঙ্করী। তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রায় ১০০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল শরীর। শনিবার সন্ধেতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কারখানার আরেক কর্মী অর্পিতা সর্দারও ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বাজি কারখানার মালিক পিন্টু মণ্ডলও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে হাড়ালের পিন্টু মণ্ডলের কারখানার লাইসেন্স থাকলেও নিয়ম মেনে বাজি মজুত করা হয়েছিল কিনা সেটাই খতিয়ে দেখছে বারুইপুর থানার পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই কোনওভাবে বাজিতে আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটেছে।
তবে এই প্রথমবার নয়, ২০২৩-র মে মাসে এগরায় বাজি বিস্ফোরণে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই বছরই অগাস্টে দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বজবজেও একইভাবে মজুতবাজিতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।







