
ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা জেএমএমের অন্যতম নেতা চম্পই সোরেনের দিল্লি যাত্রা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। রবিবার জেএমএমের ছয় বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীতে পৌঁছেছেন চম্পই সোরেন।
এরপরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তিনি কি বিজেপিতে যোগ দেবেন। তবে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পরেই দলত্যাগের প্রশ্ন খারিজ করে দিয়ে চম্পই সোরেন বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগত কাজে দিল্লিতে এসেছেন।৩১ জানুয়ারি ঝাড়খণ্ডে জমি দুর্নীতি সংক্রান্ত বেআইনি আর্থিক লেনদেন মামলায় হেমন্ত সোরেনকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। গ্রেফতারির আগে মুখ্যমন্ত্রিত্বে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। হেমন্ত সোরেনের অনুপস্থিতিতে চম্পই সোরেনকে মুখ্যমন্ত্রী মনোনীত করেন জেএমএম নেতৃত্ব। পাঁচ মাস রাঁচীর বিরসা মুন্ডা জেলে বন্দি থাকার পরে ২৮ জুন ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্তি পান হেমন্ত সোরেন। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আবারও মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তিনি। পদ ছাড়তে হয় চম্পই সোরেনকে। তবে রেখে দেওয়া হয় মন্ত্রিসভায়।শোনা যাচ্ছিল, মুখ্যমন্ত্রিত্ব হারানোর পর থেকেই দলের মধ্যেও নাকি কোণঠাসা চম্পই সোরেন। শুরু হয় দলবদলের জল্পনাও। তবে শনিবার চম্পই সোরেন বলেন, তিনি জানেন না কী নিয়ে জল্পনা চলছে। যেখানে আছেন সেখানেই থাকবেন।








