
চন্দ্রনাথ রথকে খুনের সময় গাড়িতে ছিলেন তৃতীয় ব্যক্তি মিন্টু। গুণিকাণ্ডের পর তিনিই গাড়ি চালিয়ে চন্দ্রনাথ এবং গাড়িচালক বুদ্ধবে বেরাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
গাড়ির চালাকের গুলি লাগলেও মিন্টুর গায়ে কোনও গাড়ি লাগেনি। তদন্তকারীদের অনুমান শুধু চন্দ্রনাণকে খুন করতেই গুলি চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। পাশে থাকা গাড়ির চালকের গায়ে লেগে যায়। এদিকে বুধবার মাত্র ৫০ সেকেন্ডের অপারেশনেই খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। সিসিটিভি ফুটেজে হাড়হিম করা ফুটেজ ধরা পড়েছে। বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিট, মধ্যমগ্রামের দোলতলার কাছে দোহারিয়া লেনে গাড়িতে করে বাড়ির কাছাকাছি যখন আসেন চন্দ্রনাথ। তখনই চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে আড়াআড়িভাবে পথ আটকায় একটি নিসান গাড়ি। পিছনে আরও দুটি বাইক চন্দ্রনাথের গাড়ি ফলো করছিল। এরপরেই শুরু হয় অপারেশন। পুলিশের অনুমান গাড়ি থেকে নেমে শার্প শ্যুটার চন্দ্রনাথের গাড়ির কাচের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে অন্তত ১০ রাউন্ড গুলি চালায়। ৪ টি গুলি লাগে চন্দ্রনাথের, গাড়ির চালকের শরীরে লাগে অন্তত ৩টি গুলি।
রীতিমত রেইকি করে চন্দনরাথ রথকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। খুনের পর বাইকে করেই চম্পট দেয় আততায়ীরা।







