
পেমেন্ট জটের কারণে মাঝপথ থেকেই চিনের দিকে ঘুরে গিয়েছে, এই জল্পনা সরাসরি খারিজ করল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই দাবি তথ্যগতভাবে ভুল। পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানি অপরিশোধিত তেল আমদানিতে কোনও আর্থিক বাধা নেই।
পাশাপাশি, সমুদ্রপথে চলাচলকারী তৈলবাহী জাহাজ বাণিজ্যিক বা পরিচালনাগত কারণে মাঝপথেই গন্তব্য বদলাতে পারে, এটাও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই বিতর্কের সূত্রপাত একটি নির্দিষ্ট জাহাজকে ঘিরে। শিপ-ট্র্যাকিং সংস্থা,কেপলার তথ্যসূত্র অনুযায়ী, পিং শুন নামে একটি আফরাম্যাক্স ট্যাঙ্কার, যা প্রথমে গুজরাতের ভাদিনারের গন্তব্য হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল, পরে জানা যায় সেটি গন্তব্য পাল্টে চিনের ডংইং বন্দরের গিকে এগোচ্ছে। জানা গিয়েছিল, এই তৈলবাহী জাহাজ ভারতে এসে পৌঁছলে ২০১৯ সালের পর সাত বছরে প্রথমবার ইরানি তেল আমদানির সূচনা হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি ওঠে, পেমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যার জন্যই জাহাজটির গন্তব্য বদলানো হয়েছে। তবে কেন্দ্র সেই দাবি পুরোপুরি খারিজ করে জানিয়েছে, ভারত ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে তেল আমদানি করে এবং তেল সংস্থাগুলির কাছে সরবরাহকারী বেছে নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে, যা সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক বিবেচনার উপর নির্ভর করে। কেন্দ্রীয় সরকার আরও জানিয়েছে, দেশের তেল পরিশোধন সংস্থাগুলি আগামী কয়েক মাসের জন্য পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেলের জোগান নিশ্চিত করে রেখেছে। আরব দুনিয়ায় অস্থিরতা চললেও ভারতের জ্বালানি সরবরাহে কোনও ঘাটতির আশঙ্কা নেই।








