মুখের ভাষাও বদলে দিচ্ছে চ্যাটজিপিটি

0
173
ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল

বর্তমানে জুম মিটিং, ক্লাসরুম বা ইউটিউব ভিডিও মনোযোগ দিয়ে শুনলে একটি বিষয় সহজেই বোঝা যায়, তা হচ্ছে অনেকের কথা বলার ধরনে একরকম মিল চলে এসেছে। গবেষকরা বলছেন, এমনটি আসলে এআই, বিশেষ করে চ্যাটজিপিটির প্রভাবের ফল।‘Prowess’ বা দক্ষতা ও ‘tapestry’ বা বোনা নকশার মতো কিছু শব্দ চ্যাটজিপিটি বেশি ব্যবহার করে, যা এখন মানুষের কথ্য ভাষায়ও ধীরে ধীরে ঢুকে পড়ছে বা বেশি ব্যবহার হচ্ছে।

আবার ‘bolster’ বা সহায়তা করা, ‘unearth’ বা আবিষ্কার করা ও ‘nuance’ বা সূক্ষ্ম পার্থক্য-এর মতো কিছু শব্দ চ্যাটজিপিটি তেমন ব্যবহার করে না। ফলে এসব শব্দের ব্যবহার মানুষের মধ্যে দিনদিন কমে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে।গবেষকরা বলছেন, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের ফলে মানুষের কথা বলা ও যোগাযোগের ধরন বদলে যাচ্ছে। চ্যাটজিপিটি’র কারণে মানুষের ভাষা ও কথাবার্তায় ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে, যেটি ভবিষ্যতে আরও দ্রুত বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়বে।ইউটিউবের প্রায় দু’ লাখ ৮০ হাজারটি শিক্ষামূলক ভিডিও বিশ্লেষণ করে ‘ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট’-এর গবেষকরা বলছেন, ‘meticulous’ বা খুব সতর্ক থাকা, ‘delve’ বা গভীরে খোঁজাখুঁজি করা, ‘realm’ বা ক্ষেত্র বা জগৎ ও ‘adept’ বা দক্ষ এ ধরনের শব্দগুলো আগের তিন বছর যেভাবে ব্যবহার করতেন তার চেয়ে এখন ৫১ শতাংশ বেশি ব্যবহার করছেন মানুষ।

গবেষকরা বলছেন, চ্যাটজিপিটি আসার আগে মানুষের ভাষায় বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি, অর্থাৎ এখানে এআইয়ের প্রভাবটাই মূল বিষয়। আর আগের গবেষণায় উঠে এসেছিল, এসব শব্দ বেশি ব্যবহার করে চ্যাটজিপিটি। ওই গবেষণায় মানুষ ও এআইয়ের মধ্যে লেখার ১০ হাজারটি তুলনা খতিয়ে দেখেছিলেন গবেষকরা।