
ইংলিশ জায়ান্ট ক্লাব চেলসির অবস্থা বেগতিক। মাঠে ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সে এরমধ্যে ছাঁটাই হয়েছেন কোচ এঞ্জো মারেস্কা।
লন্ডনের ক্লাবটির মালিকপক্ষ নিয়ে ক্ষেপে আছে সমর্থকরা। চেলসির সমর্থকরা সহ-মালিক বেহদাদ এঘবালি ও ক্লাবের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে ক্লাবের প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ তুলেছে ব্লুজরা।যদিও সিজনের শুরুটা ভালোই হয়েছিল চেলসির। তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনার বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পাওয়ার পরই খেই হারিয়ে ফেলে ক্লাবটি। কাতালান ক্লাবটিকে ঘরের মাঠে উড়িয়ে দেওয়ার পর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৯ ম্যাচে মাত্র দু’টিতে জয় পায় চেলসি। তাতে চাকরি হারান কোচও। জানা যাচ্ছে,মারেস্কার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে চেলসির মালিকের প্রথম পছন্দ স্ট্রাসবুর্গের কোচ লিয়াম রোজেনিয়র। তবে চেলসির সমর্থকরা ক্লাবটির মালিক পক্ষের ওপর ক্ষেপে আছে একাধিক কারণে।নট আ প্রজেক্ট সিএফসি নামে একটি ফ্যান গ্রুপ একটি বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছে। আগামী ১৭ জানুয়ারি স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচের আগে যা হতে যাচ্ছে। মূলত চেলসি ক্লাব কোনো প্রকল্প নয় বা চেলসি ক্লাবকে এক ধরনের প্রজেক্ট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না’ এমন দাবি নিয়েই নামছে তারা।গ্রুপের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের মে মাসে টড বোহলি ও ক্লিয়ারলেক ক্যাপিটাল নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের অধীনে চেলসিকে দখল করার পর, ক্লাবটি আর এলিট ক্লাবের মতো নয় বরং খেলোয়াড় বাণিজ্যকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।যেখানে দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনার জন্য বর্তমানে ক্লাবের মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।চেলসি মূলত খেলোয়াড় কেনায় তরুণ প্রতিভাদের প্রাধান্য দিয়ে থাকে। ভবিষ্যৎতের কথা মাথায় রেখে ২৩ বছরের কম বয়সী উঠতি তারকাদের দিকেই ক্লাবটির নজর বেশি।
নতুন মালিকানাধীন চেলসি প্রথম দু’ সিজনে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হয়। টোমাস টুখেল, গ্রাহাম পটার ও মাউরিসিও পচেত্তিনোর মতো একের পর এক বাঘা বাঘা কোচ ক্লাব ছাড়েন।
