গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

26.9 C
Kolkata
26.9 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle সারা দিন চুইংগাম,হতে পারে ক্ষতি

    সারা দিন চুইংগাম,হতে পারে ক্ষতি

    0
    133
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    আমাদের মধ্যে অনেকেরই সারা দিন চুইংগাম চিবানোর অভ্যাস রয়েছে।চুইংগামই যেন তাদের সর্বক্ষণের সঙ্গী। তবে অনেকে অভ্যাসগত কারণ ছাড়াও চুইংগাম চিবিয়ে থাকেন।

    মেদহীন চোয়াল পেতেও এই এক্সারসাইজ করে থাকেন তারা। তাই আশ্চর্যের কিছু নেই যে অনেকেই মুখের সুন্দর আকৃতি গঠনের আশায় সেই শুকনো, পাথরের মতো শক্ত জিনিসটি বারবার চিবিয়ে যাচ্ছেন।তারা ভাবছেন এতেই পাওয়া যাবে কাঙ্ক্ষিত চোয়াল।কিন্তু এই প্রচলিত বিশ্বাসের পেছনে সত্যিই কি কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে? ঘটনা হলো ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনি যখন চুইংগাম চিবাবেন, তখন আপনার মাংসপেশি বড় হয়ে যাবে বা হাইপারট্রফি হবে। ফলে মুখের যে কাট বা আকৃতি আছে, সেটা আরো চওড়া দেখাবে।এতে মুখ অনেক সময় অস্বাভাবিকও দেখাতে পারে। তাই চুইংগাম খেলে চোয়াল ধারালো হয়, এটা আসলে একটা মিথ।আসলে,চুইংগামের প্যাকেটে কিন্তু চোয়াল ধারালো করার কোনো গুণ নেই। বরং এর প্রভাব ঠিক উল্টো।চোয়ালকে আরো চওড়া ও বর্গাকার করে তোলে। এই তথাকথিত শর্টকাট আপনাকে কাঙ্ক্ষিত ধারালো চোয়ালের বদলে অস্বাভাবিকভাবে চওড়া চোয়াল উপহার দিতে পারে। ডার্মাটোলজিস্টরা আরো জানান, অনেক রকমের মুখভঙ্গি আসলে মুখের ক্ষতি করে। যেমন, বারবার কুঁচকে তাকানো বা চোখ কুঁচকানো, যা সূক্ষ্ম রেখা বা ফাইন লাইন তৈরি করতে পারে। একই বিষয় প্রযোজ্য দাঁত চেপে রাখা বা চোয়াল শক্ত করার ক্ষেত্রেও।এতে কিছু মাংসপেশি অতিরিক্ত ব্যবহার হয়, যার ফলে মুখ আরো চওড়া দেখাতে পারে এবং সূক্ষ্ম রেখাও তৈরি হতে পারে।তাহলে আসলে কী কাজ করে।উত্তর হলো,অবাক করার মতো হলেও, গার্গল করা কার্যকর। ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, গার্গল করলে চোয়ালের মাংসপেশিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। জল দিয়ে হোক বা শুধু গার্গলের ভঙ্গি করেই হোক, এতে নিচের মুখের মাংসপেশি সক্রিয় হয়। এর ফলে ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়ে এবং মুখ আরো টোনড বা টানটান দেখাতে সাহায্য করে।সব মিলিয়ে বলা যায়, চুইংগাম চিবিয়ে চোয়ালের শেপ বদলানো একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা। বরং এটি উল্টো চোয়ালকে চওড়া ও অস্বাভাবিক করে তুলতে পারে।

    সুস্থ ও আকর্ষণীয় মুখাবয়ব পেতে চাইলে প্রয়োজন সঠিক অভ্যাস, নিয়মিত যত্ন ও প্রাকৃতিক উপায়। যেমন গার্গল করা, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও মুখের ব্যায়াম। এসব ছোট ছোট পরিবর্তনই সময়ের সঙ্গে আপনার মুখে এনে দিতে পারে স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও সতেজতা।