ওজন কমাতে খান কাবলি ছোলা

0
247
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

ওজন কমাতে গেলে সাধারণত কোন খাবার খাবেন না, সেই তালিকাটাই আগে ঠিক করেন অনেকে।যে তালিকায় থাকে মিষ্টি, তেলেভাজা বা অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু তার বদলে কী খাবেন, সেটাও সমান গুরুত্বের। কারণ শুধুমাত্র খাবার কমিয়ে ওজন ঝরালে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

ফলাফল, দুর্বলতা, শীর্ণ চেহারা আর ক্লান্তিভাব। তাই ওজন কমানোর পথে প্রথম শর্তই হলো সুষম খাদ্য পরিকল্পনা।সাধারণতঃ বলা হয় এই খাদ্যতালিকায় নিশ্চিন্তে জায়গা করে নিতে পারে কাবলি ছোলা।এটি কেবলমাত্র ওজন কমাতেই সাহায্য করে না,পাশাপাশি শরীরের পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করে।পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়মিত কাবলি ছোলা খাওয়ার রয়েছে একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতা।কাবলি ছোলায় রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও ফাইবার, যা খিদে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের ঝুঁকি কমে যায়।পাশাপাশি,ফাইবার সমৃদ্ধ এই ছোলা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে।কারণ,এই ছোলায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন কে, যা হাড়ের গঠন ও দৃঢ়তা বজায় রাখতে কার্যকর।পাশাপাশি কাবলি ছোলার ফাইবার ও পুষ্টিগুণ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।এর বাইরে,স্নায়ুতন্ত্র ও পেশির গঠনে সহায়ক কাবলি ছোলা।এর মধ্যে থাকা ভিটামিন বি নাইন বা ফোলেট মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ ও স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

পাশাপাশি এটি পেশির গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।অন্যদিকে,যারা গ্যাস্ট্রিক বা হজমের সমস্যায় ভোগেন, তাদের ক্ষেত্রে কাবলি ছোলা খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। এছাড়া কোনো দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে, খাদ্যতালিকায় বড় পরিবর্তনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।