
আই প্যাক মামলার শুনানিতে ফের কড়া পর্যবেক্ষণ জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শুনানি চলাকালীন বিচারপতি পি কে মিশ্র রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বালের উদ্দেশে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন।
তিনি বলেন,মুখ্যমন্ত্রী যদি ইডি-র তদন্তে ঢুকে পড়েন, তাহলে আপনারা বলছেন ইডি রাজ্য সরকারের কাছেই প্রতিকার চাইবে—যার প্রধান আবার মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। বাংলায় বিধানসভা ভোটের প্রচার পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে। তার মধ্যেই শীর্ষ আদালতে আই প্যাক মামলাকে ঘিরে এখন প্রবল কৌতূহল তৈরি হয়েছে। সেদিক থেকে এদিনের শুনানি প্রাসঙ্গিক।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন উঠে আসে। ইডি-র অভিযোগ ছিল, তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাকের অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন তাদের আধিকারিকরা। অভিযোগের তির রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের দিকে।রাজ্যের পক্ষ থেকে সওয়াল করতে গিয়ে কপিল সিব্বাল মামলাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর সরাসরি প্রশ্ন, কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা কি সরাসরি রাজ্যের বিরুদ্ধে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় মামলা করতে পারে? শুনানির সময় সিব্বাল যুক্তি দেন,ইডি-র তদন্তের অধিকার হল একটি বিধিবদ্ধ ক্ষমতা। সেটা কোনও মৌলিক অধিকার নয়।
সেই ক্ষমতায় কেউ বাধা দিলে তা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হিসেবে ধরা যায় না। ফলে সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারা অনুযায়ী এ ব্যাপারে ইডি-র সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসার অধিকার নেই। সুপ্রিম কোর্ট জানায়, এই মামলায় দুটি আলাদা অভিযোগ রয়েছে,একটি হল বেআইনি আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তদন্ত। অন্যটি সেই তদন্ত চলাকালীন ইডি আধিকারিকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ। এই দুটিকে এক করে দেখা যাবে না।








