
বারুইপুরে গণপিটুনিতে নির্যাতিতা এবং গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতে শনিবার যাবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
কথা বলবেন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে। তার আগেই ইন্দ্রজিত মণ্ডলের বাড়িতে বসানো হয়েছে সিসিটিভি। পরিবারের সবার নিরাপত্তার জন্য থাকছে পুলিশ পিকেটিং। সংস্কার করা হচ্ছে বাড়িরও। এদিকে এনকাউন্টারে নিহত অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের বিকৃত কাম, আর সেই লালসারই শিকার হয়েছে বারুইপুরের নাবালিকা। এমনটাই দাবি পুলিশের। মঙ্গলবার ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। পরিকল্পনা করেই গণধর্ষণ করা হয় ক্লাস সিক্সের ওই ছাত্রীকে। প্রভাস ছাড়াও নির্যাতনের সঙ্গী হয় দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দার ও কবির মোল্লা। বারুইপুরের নির্যাতিতা স্থানীয় বাসিন্দা প্রভাস মণ্ডল ও বাকি অভিযুক্তদের চিনতে পেরে যাওয়ায় নাবালিকাকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলা হয়। এদিকে নির্যাতিতার পরিবারের দাবি মেনে তৈরি করা হয়েছে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ি।
শুক্রবার পরিদর্শনে গিয়েছিলেন আইজি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ কঙ্করপ্রসাদ বারুইপুর। এদিকে ভাঙচুর, গণপিটুনিতে অভিযুক্ত ৩৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
