গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

29 C
Kolkata
29 C
Kolkata
More
    Home International গাজায় খাবারের লাইনে শিশুদের হত্যা

    গাজায় খাবারের লাইনে শিশুদের হত্যা

    0
    117
    ছবি সৌজন্যে : এক্স

    গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর আল বালাহ এলাকায় একটি স্বাস্থ্য ক্লিনিকের সামনে পুষ্টিকর খাদ্য সহায়তার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ১৫ জন প্যালেস্টাইনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আটজন শিশু ও দু’জন মহিলা রয়েছেন বলে জানিয়েছে আল-আকসা শহীদ হাসপাতাল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

    হাসপাতালের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, মেঝেতে পড়ে আছে একাধিক শিশুর নিথর দেহ, চিকিৎসকরা আহতদের সেবায় ব্যস্ত।উল্লেখ্য আমেরিকাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা প্রজেক্ট হোপ, যারা ওই ক্লিনিক পরিচালনা করে, এই হামলাকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে।এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী,আইডিএফ দাবি করেছে, তারা হামাসের সন্ত্রাসী সদস্যদের, বিশেষত নুখবা ইউনিটের এক সদস্যকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে অসামরিক প্রাণহানির জন্য তারা দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং তদন্ত চলছে বলেও জানিয়েছে।এক,প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, হঠাৎ ড্রোনের শব্দ, তারপর বিকট বিস্ফোরণ। মুহূর্তেই চারপাশ রক্ত আর কান্নায় ভরে যায়। প্রজেক্ট হোপের প্রেসিডেন্ট রাবিহ তোরবে বলেছেন, এই ক্লিনিকগুলো গাজার মানুষের শেষ ভরসা। অথচ এখন সেখানেই মৃত্যুর হাতছানি। তিনি একে যুদ্ধাপরাধ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও গাজায় কেউই নিরাপদ নয়।অন্যদিকে ইউনিসেফ প্রধান ক্যাথেরিন রাসেল এই হামলাকে অযৌক্তিক ও মানবতার বিরুদ্ধে আখ্যা দিয়েছেন।একই দিন গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় আল-মাওয়াসি উপকূলীয় এলাকায় আরেকটি ড্রোন হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনটি শিশু ছিল। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, বালির নিচ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে।এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও তা অচল অবস্থায় রয়েছে।

    ইসরায়েলি কর্তারা বলছেন, চুক্তি হতে এক–দু’ সপ্তাহ লাগতে পারে। তবে হামাস জানিয়েছে, তারা একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি চায় যা ইসরায়েলের আগ্রাসন থামাবে।অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘ জানিয়েছে, চার মাস পর প্রথমবারের মতো গাজায় সামান্য পরিমাণ জ্বালানি প্রবেশ করেছে। তবে তা চাহিদার তুলনায় একদিনেরও কম। গাজায় বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা, জল, খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট চলছে।