
গত এক দশকে রেকর্ড পরিমাণ বিনিয়োগ ও একের পর এক সফল অভিযানের মাধ্যমে মহাকাশে আমেরিকাকে কড়া চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে চীন। নিজস্ব স্পেস স্টেশন তৈরি থেকে শুরু করে মঙ্গল জয় সবখানেই বেজিংয়ের জয়জয়কার
এ লড়াই এখন কেবল মহাকাশে পতাকা ওড়ানোর নয়, বরং প্রযুক্তির শক্তিতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার এক নতুন যুদ্ধ।আমেরিকান সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি লিখেছে, চীনের মহাকাশ কর্মসূচি সম্প্রতি বেশ কিছু বড় সাফল্য পেয়েছে। ২০২৫ সালে চীন পৃথিবীর কক্ষপথে ৯০টিরও বেশি উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে, যা এক বছরে তাদের নতুন জাতীয় রেকর্ড।গত পাঁচ বছরে প্রথম দেশ হিসাবে চীন চাঁদের দূরবর্তী অংশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে এনেছে, নিজেদের নিজস্ব লো-আর্থ অরবিট মহাকাশ স্টেশন তৈরি শুরু করেছে এবং মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে একটি রোভারও নামিয়েছে দেশটি।কমার্শিয়াল স্পেস ফেডারেশন-এর প্রেসিডেন্ট ডেভ কাভোসা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মুখে বারবার তার ‘মহাকাশ জয়ের স্বপ্নের’ কথা শুনছেন।সম্প্রতি কমার্শিয়াল স্পেস ফেডারেশন ও অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি’র নিউস্পেস উদ্যোগ যৌথভাবে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখানে সতর্ক করা হয়েছে, মহাকাশ গবেষণায় আমেরিকার যে একাধিপত্য রয়েছে তা শিগগিরই চীনের কাছে হারিয়ে যেতে পারে। তথ্য অনুসারে, চীনের বাণিজ্যিক মহাকাশ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ব্যাপক হারে বেড়েছে। ২০১৫ সালে যেখানে বিনিয়োগ ছিল কেবল ৩৪ কোটি ডলার, ২০২৫ সালে সরকারি ও বেসরকারি উৎস মিলিয়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৮১ কোটি ডলারে।
এএসইউ-এর নিউস্পেস উদ্যোগের গবেষণা বিশ্লেষক জোনাথন রোল বলেছেন, গত এক দশকে চীন তাদের অসামরিক, সামরিক ও বাণিজ্যিক মহাকাশ প্রচেষ্টায় ১০ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।








