লং মার্চ ১২ রকেট উৎক্ষেপণ করল চীন

0
137
ছবি সৌজন্যে : এক্স

সম্প্রতি এক নতুন ধরনের রকেট উৎক্ষেপণ করেছে চীন। এ উৎক্ষেপণে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিক স্পেসপোর্ট বা মহাকাশ বন্দর ব্যবহার করেছে চীন।

উৎক্ষেপিত লং মার্চ টুয়েলভ নামের রকেটটি তৈরি করেছে সাংহাই একাডেমি অফ স্পেসফ্লাইট টেকনোলজি বা এসএএসটি।পৃথিবীর নিম্নকক্ষপথে রকেটটির পেলোড বহনের সক্ষমতা ১২ টন।দু’-পর্যায়ের লঞ্চারটিতে রয়েছে একটি একক-কোর, যা তরল অক্সিজেন-কেরোসিন চালিত চারটি ইঞ্জিনের মাধ্যমে চলে।এই মিশনে রকেটটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ৩.৮ মিটারের পেলোড ফায়ারিং সিস্টেম।তবে রকেটটিকে পুনরায় ব্যবহার করা যাবে না। ডিজাইনে এই সীমাবদ্ধতা মেনে নিতে হয়েছে দ্রুততম সময়ে উৎক্ষেপণের জন্য। ৪.২ বা ৫.২ মিটার, দুই ব্যাসের রকেটই ব্যবহার করা যাবে এতে। ফলে কার্গোর আকার অনুসারে উপযুক্ত বাহন এর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যাবে।চীনের দক্ষিণ দিকের এক দ্বীপ প্রদেশে অবস্থিত হাইনান কমার্শিয়াল স্পেস লঞ্চ সেন্টার থেকে উৎক্ষেপিত হয়েছে রকেটটি। চীনের এ অঞ্চল থেকে প্রথমবারের মতো কোনো রকেট উৎক্ষেপিত হল।চীন আশা করছে, এ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন বেসরকারি মহাকাশ কোম্পানিও এই লঞ্চ সাইটটি ব্যবহার করবে।বেজিং বলেছে, সান-সিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথে পৌঁছানোর লক্ষ্যে চীনের সক্ষমতা বাড়াবে নতুন রকেটটি, যেটি বিভিন্ন উপগ্রহকে প্রতিদিন একই সময়ে পৃথিবীর একই বিন্দুর উপর দিয়ে যেতে সাহায্য করবে। ফলে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ বা নজরদারিবান্ধব হবে এটি।এই নতুন রকেটটির পৃথিবীর নিস্ন-কক্ষপথে স্যাটেলাইটগুচ্ছের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং ক্ষমতা বাড়াবে বলে এ বিষয়ে প্রকাশ করা ঘোষণায় উল্লেখ করেছে চীন।

এ বিষয়টি সম্ভবত ভাবষ্যতে স্পেস ব্রডব্যান্ডে চীনের নজরের ইঙ্গিত দেয়।এটিই চীনের চার-মিটার শ্রেণির প্রথম লঞ্চার।