
উল্টো ঝুলিয়ে মার, ইলেকট্রিক শক। মহেশতলাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত শাহেনশা সহ দুই অভিযুক্তকে মুম্বই থেকে কলকাতায় আনা হয়েছে। ঘটনার ১০ দিন পর মুম্বই থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে রবিবার কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনা সামনে আসতেই মুম্বই পালায় শাহেনশা।
তার দাবি ওই নাবালক মোবাইল চুরি করেছিল। ধৃতদের বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। ৩১ মে সকালে কারখানা থেকে পালিয়েছিল নাবালক এমনটাই দাবি ধৃতদের। যে দিক দিয়ে নাবালকের বেরনোর কথা বলছে ধৃতরা সেই রাস্তার সিসিটিভি পরীক্ষা করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে নাবালককে বেরতে দেখা যায়নি। ১০ দিন পরেও এখনও খোঁজ মেলেনি নাবালকের। অন্যদিকে শাহেনশা এবং তার সঙ্গীদের ওই নাবালক এবং তাঁর বাবা তাদের ফাঁসাচ্ছে। ভয়ে তারা মুম্বই পালিয়ে গিয়েছিল। না হলে মেরে ফেলত। মোবাইল চুরি করেছিল ওই নাবালকই দাবি করেছে শাহেনশা। যদিও পরিবারের দাবি দেনা শোধ করতে গরমের ছুটিতে মহেশতলার কারখানায় কাজ করতে যায় ক্লাস সেভেনের ওই নাবালক। সঙ্গে তার দাদাও ছিল। এক মাস পেরোনোর পর বেতনের দাবি করে তারা। অভিযোগ এরপরেই মোবাইল চুরির অপবাদে নাবালককে মারধর করে শাহেনশা ও তার সহযোগীরা। এরপর থেকেই নিখোঁজ সে।
এদিকে ৮ দিন পরেও নির্যাতিত নাবালকের কোনও খোঁজ নেই। রবীন্দ্রনগর থানার তরফে সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় নিখোঁজ কিশোরের ছবি সহ বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। এবার নিখোঁজ কিশোরকে খুঁজতে তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি।
