
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা একের পর এক কর্মসূচিতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি যাত্রাবাড়ি এবং ডেমরায় কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। পুলিশ এ বিষয়ে কিছু না বললেও, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এই সংঘর্ষ থামাতে ব্যর্থতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকার শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা
যাত্রাবাড়ি এবং ডেমরা এলাকায় ঘটে যাওয়া এই সংঘর্ষে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করেছে, যা পুরো অঞ্চলে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন যে, যদি কোনও ইন্ধন থাকে তবে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। এর ফলে তিনটি কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে অস্থিরতা বেড়ে গেছে এবং ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে।
পরীক্ষার স্থগিতকরণ
এই সহিংসতার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি কলেজে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাগুলি স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইল এবং ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশকে বিপন্ন করে তুলছে। এই অবস্থায় সরকারের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া যাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।
নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা
অন্যদিকে, ঢাকার মহানগর এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট; আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত এক মাসের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দিয়েছেন। এটি শহরের পরিবহন ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্ভোগে ফেলবে বলে মনে হচ্ছে। সরকারের উচিত এসব সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাতে নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় থাকে。
