
দিনভর দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুরের পর বুধবার রাত থেকেই কার্ফু চলছে বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে। বৃহস্পতিবার সকালে অবশ্য উত্তেজনা কমেছে। এখনও থমথমে রয়েছে পরিবেশ। রাস্তাঘাটেও বেরিয়েছেন কেউ কেউ। তবে আতঙ্ক, উৎকণ্ঠার রেশ এখনও কাটেনি।
এনসিপি-র সমাবেশ ঘিরে বুধবার চরম উত্তেজনা তৈরি হয় গোপালগঞ্জে। গুলি এবং গ্রেনেড হামলায় অন্তত চার জন নিহত হন। প্রাণ হারান গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা দীপ্ত সাহা, কোটালিপাড়ার রমজান কাজী, সদর উপজেলার ভেড়ার বাজারের ইমন এবং টুঙ্গিপাড়ার সোহেল মোল্লা। সুমন বিশ্বাস নামে টুঙ্গিপাড়ার এক বাসিন্দা গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়াও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও আট জন। অভিযোগ, এঁদের বেশির ভাগের উপরেই গুলি চালিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র কর্মী-সমর্থকেরা।
শুধু তা-ই নয়, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধেও।পরিস্থিতি সামাল দিতে বুধবার রাত থেকেই গোপালগঞ্জে কার্ফু জারি করা হয়। টহলদারি শুরু করে সেনা এবং বিজিবি বাহিনী।








