মহেঞ্জোদারোর নারীমূর্তিতে পোশাক! তুমুল বিতর্ক

0
22
ছবি সৌজন্যে : এক্স

সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম বিখ্যাত নিদর্শন মহেঞ্জোদারোর ডান্সিং গার্ল মূর্তি নিয়ে নতুন বিতর্কে সরগরম শিক্ষা ও ইতিহাস মহল। প্রায় সাড়ে চার হাজার বছরের পুরনো এই ব্রোঞ্জ মূর্তিকে হরপ্পা-সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

কিন্তু সম্প্রতি এন সি ই আর টি-এর নবম শ্রেণির চারুকলা শিক্ষার বইয়ে প্রকাশিত একটি ছবিকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, মূর্তির আসল রূপ বদলে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে তার ঊর্ধ্বাঙ্গ আংশিকভাবে ঢেকে দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়। বিষয়টি সামনে আসতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। উল্লেখ্য, মহেঞ্জোদারোর এই ছোট্ট ব্রোঞ্জ মূর্তিটি ১৯২৬ সালে ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আর্নেস্ট ম্যাকে আবিষ্কার করেন। মাত্র চার ইঞ্চি উচ্চতার হলেও ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের দুনিয়ায় এর গুরুত্ব অপরিসীম। নৃত্যের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা এক কিশোরীর প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে এতে। হাতে একাধিক চুড়ি, গলায় অলঙ্কার এবং আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিমার জন্য মূর্তিটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বর্তমানে এটি দিল্লির ন্যাশনাল মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় এন সি ই আর টি -এর নতুন চারুকলা শিক্ষার বইয়ের হিস্ট্রি অফ আর্টস অধ্যায়ে প্রকাশিত একটি ছবি ঘিরে। সেখানে দেখা যায়, মূর্তির কাঁধের নীচের অংশ থেকে শরীরের মাঝামাঝি অংশ পর্যন্ত কালো ছায়ার মতো একটি আবরণ দেওয়া হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, এর ফলে মূর্তির আসল শিল্পরূপ এবং ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য আড়াল হয়ে গিয়েছে। অনেকের মতে, এটি কার্যত মূর্তিটিকে পোশাক পরিয়ে দেওয়ার সমান।