
কেরল, উত্তরাখণ্ডের পর এবার প্রকৃতির রুদ্র রূপ দেখা দিয়েছে হিমাচলেও। মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
মান্ডির থালতুখড় এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টিতে অন্তত ৫০-র জন বেশি নিখোঁজ হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে ফুলেফেঁপে উঠেছে বিপাশা। কুল্লুতে জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে বইছে নদীর জল। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি সিমলা, মান্ডি ও কুল্লুর। শিমলার রামপুরের কাছে সামেজখড় এলাকাতেও মেঘভাঙা বৃষ্টিতে নিখোঁজ অন্তত ১৯ জন। তাঁদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৪টে দল জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যহত হচ্ছে। এই মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার গভীর রাতে কুলুতে একটি বাড়ি ভেঙে পার্বতী নদীর জলে ভেসে গিয়েছে । হিমাচল প্রদেশের আবহাওয়া দফতর থেকে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে । বৃহস্পতিবার কিন্নর, লাহুল ও স্পিতি ছাড়া বাকি সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে । শিমলা, কুলু, সোলান, সিরমোর ও কিন্নর জেলায় হড়পা বান ও ধস নামার সম্ভাবনার বিষয়ে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। মেঘভাঙা বৃষ্টিতে হিমাচলের শিমলা, মান্ডি-সহ একাধিক অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । মাণ্ডিতে ভূমিধসের জেরে রাজবান গ্রামের কাছে রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে । আপাতত স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের বাড়িতে থাকতেই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ।
