
অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন-এর বিরোধিতা করছে কিছু রাজনৈতিক দল। রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়ার পরদিনই সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
তাঁর বক্তব্য, শুধু দেশের সুরক্ষার জন্য নয়, গণতন্ত্রের শুদ্ধিকরণের জন্যও জরুরি এসআইআর। এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর প্রক্রিয়া চলেছে। অধিকাংশ বিরোধী শাসিত রাজ্য এই প্রক্রিয়ার বিরোধী। তবে এসআইআর বিরোধিতায় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, এই প্রক্রিয়া আসলে বিরোধী ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র। এসআইআর-এর প্রতিবাদে বিরোধী শিবিরের মধ্যে সবার প্রথম পথেও নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবারই তিনি নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে বিএলওদের কাজের চাপ, এবং আমজনতার অসুবিধার দিকটা নজরে রেখে এসআইআর বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছেন। ঠিক তার পরদিনই অমিত শাহ বলেছেন, ভারতে অনুপ্রবেশ রুখে দেওয়াটা শুধু জাতীয় সুরক্ষার জন্য নয়, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দূষিত হওয়া থেকে বাঁচানোর জন্যও অনুপ্রবেশ রোখাটা জরুরি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কিছু রাজনৈতিক দল এই অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য যাত্রা বের করছে।
যদিও অমিত শাহের এই মন্তব্যের পর সরব হয়েছে এদেশের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। দেশ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে পহেলগাম, লালকেল্লা বিস্ফোরণের কথা তুলে ধরেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।









