
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে শব্দ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে প্রকাশ্যে পশুবলি বন্ধে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনও ধর্মীয় স্থান থেকেই নির্ধারিত মাত্রার বাইরে শব্দ বাইরে ছড়িয়ে পড়তে দেওয়া যাবে না।
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আগের নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার জন্যও পুলিশ প্রশাসনকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনালয়ের নামে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করা চলবে না। শুধু শব্দদূষণ নয়, প্রকাশ্যে পশুহত্যা এবং নিয়ম বহির্ভূত পশুবলি নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি যে নির্দেশিকা জারি হয়েছে, তা কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট অনুমোদিত জায়গা ছাড়া গবাদি পশু জবাই বা বলি দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে গরু, মহিষ, বলদ বা বাছুরের মতো পশুর ক্ষেত্রে আইন ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, কাঁটাতার ও বিএসএফের আউটপোস্ট করার জন্য কত জমি লাগবে তা নিয়ে সীমান্তবর্তী জেলাগুলির জেলাশাসক ও বিএলআরও-দের সেই তথ্য অবিলম্বে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের সচিব।
৪৫ দিনের মধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করতে হবে। সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জমি চিহ্নিত করে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু করুন। যেখানে যেখানে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রয়োজন হবে রাজ্য সরকারের যে গাইডলাইন রয়েছে সেই গাইডলাইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।








