
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়ে দিয়েছেন,পরিষেবা ক্ষেত্রে এআই-এর মতো নতুন প্রযুক্তির প্রভাব পর্যালোচনা করার জন্য একটি নতুন কমিটি গঠন করা হবে।
অর্থাৎ কর্মক্ষেত্রে, বলা যায় চাকরির উপরে এআই-এর প্রভাবের মূল্যায়ন করাই ওই উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির দায়িত্বে থাকবে।অর্থমন্ত্রী বলেছেন,তরুণ ভারতের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথ প্রশস্ত করার জন্য এক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান ও উদ্যোগ বিষয়ক স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব করছেন। যা অর্থনৈতিক বৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে পরিষেবা খাতের উপর দৃষ্টিনিক্ষেপ করবে। প্রসঙ্গত, বাজেট পেশের আগেই দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সংস্থাগুলি আশাপ্রকাশ করেছিল যে এআই অর্থনীতির উপরে জোর দেওয়া হবে এবারের বাজেটে। ২৯ তারিখে সংসদে পেশ করা অর্থনৈতিক সমীক্ষায় এআই-কে একটি মর্যাদা প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা হিসেবে না দেখে আর্থিক অর্থনৈতিক কৌশল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি সেন্টার অফ এক্সেলেন্স স্থাপিত হবে।
প্রযুক্তি-নির্ভর শিক্ষাকে উৎসাহিত করার জন্য এই নতুন উদ্যোগটিতে মোট ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কারণেই নাকি বিলুপ্তি ঘটতে পারে মানুষের একাধিপত্যের, এমন আশঙ্কা ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। বিশেষ করে চ্যাটজিপিটির মতো বটের আবির্ভাবের পর থেকেই সে সম্ভাবনা আরও জোরাল হয়েছে।








