
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে যোগ নিয়ে সিদ্ধান্ত কি বৃহস্পতিবারই, নয়াদিল্লিতে জরুরিভিত্তিতে বৈঠক ডেকেছে হাত শিবির। তাতে সব রাজ্যের প্রদেশ সভাপতি, এবং সব রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকদের তলব করা হয়েছে।
মাত্র একদিনের নোটিসে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এই ধরনের বৈঠক ডাকছে, সেটা বিরল। ফলে মনে করা হচ্ছে, ওই বৈঠকে বড় কোনও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে দলের নেতাদের অবহিত করতে চাইছে কংগ্রেস।বস্তুত, তৃণমূলে ভাঙন যত বাড়ছে ততই যেন কংগ্রেসের সঙ্গে নৈকট্য বাড়ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একদিন আগে ১০ জনপথে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে ১০ জনপথে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দু’ দলের দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে প্রায় ঘণ্টা দেড়েকের বৈঠক হয়। পরপর দু’দিন দুই দলের সর্বোচ্চ স্তরের নেতাদের বৈঠক ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।শোনা যাচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সদলবলে কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন। অথবা তৃণমূল কংগ্রেসকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিলিয়ে দিতে পারেন। কোনও কোনও মহলের বক্তব্য, মমতা ও অভিষেকের কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে একপ্রস্ত আলোচনা হয়েছে দুই দলের নেতাদের শীর্ষস্তরের বৈঠকে। কংগ্রেসের তরফে নাকি মমতাকে সর্বভারতীয় স্তরে বড় পদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অভিষেককেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো কোনও বড় পদের কথা ভাবা হয়েছে। যদিও তৃণমূল সূত্র এই ধরনের কোনও প্রস্তাবের কথা অস্বীকার করছে।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার জরুরি ভিত্তিতে দেশের সব রাজ্যের প্রদেশ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের দিল্লিতে ইন্দিরা ভবনে বৈঠকে ডেকেছে কংগ্রেস। সাধারণত গুরুতর কোনও জাতীয় ইস্যু নিয়ে আলোচনা বা বড় কোনও সাংবিধানিক ঝাঁকুনির আগে এই ধরনের বৈঠক কংগ্রেস ডাকে।
