
সঙ্ঘের বিধান নয় সংবিধান। সংসদে প্রথম ভাষণেই হুঙ্কার দিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।ভারতীয় সংবিধান সংসদে গৃহীত হওয়ার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে লোকসভায় বিশেষ অধিবেশন হয়েছে।
শুক্রবার লোকসভায় প্রথমবার ভাষণ দিয়েছেন নেহরু-গান্ধী পরিবারের চতুর্থ প্রজন্মের প্রতিনিধি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। দাদা রাহুল গান্ধী ও দলীয় স্ট্র্যাটেজি অনুসারে কেরলের ওয়েনাড়ের কেন্দ্রের সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী তাঁর ভাষণে জাতিভিত্তিক জনগণনার উপরেই জোর দিয়েছেন। একই সঙ্গে গৌতম আদানি থেকে শুরু করে নির্বাচনী প্রচারে সংবিধান বদলের হুমকিসহ সমস্ত ইস্যুতেই কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করে কংগ্রেস সাংসদ বলেছেন, গত ১০ বছরে এনডিএ সরকারের আমলে সংবিধানের রক্ষাকবচ অনেকখানি দুর্বল হয়েছে। যদি এবারের নির্বাচনে এনডিএ আরও বেশি আসন পেত তাহলে নিশ্চয়ই বদলে দিত ভারতের সংবিধান। ১৪২ কোটি মানুষকে ঠকিয়ে একজনকে সুবিধা দিয়েছে সরকার।পাশাপাশি ভুয়ো মামলা দায়ের করে বিরোধী নেতাদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা চলছে এনডিএ সরকারের আমলে। সাংসদ হিসাবে লোকসভায় প্রথম ভাষণ দিতে গিয়ে ২০১৭ সালের উন্নাও ধর্ষণ এবং ২০২০ সালের হাথরসের গণধর্ষণের কথাও উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে। সম্ভলে যেভাবে অশান্তি ছড়িয়েছে, তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, সেই নিয়েও সরব হয়েছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
এদিন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর প্রথম বক্তব্য শুনতে লোকসভার গ্যালারিতে হাজির ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী। বোনের ভাষণ শেষ হতে এগিয়ে এসে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও।






