
হঠাৎ করেই বিতর্কে নাম জড়িয়েছে আমির খানের। তার আসন্ন সিনেমা সিতারে জামিন পার একটি স্প্যানিশ সিনেমার নকল।
যে স্প্যানিশ সিনেমাটি ইতিমধ্যে রিমেকও করেছে হলিউড। প্রতীক্ষা ছিল সিতারে জামিন পার সিনেমাটি ঘিরে,ফিরছেন আমির খান। সেটিও তার আইকনিক সিনেমা তারে জামিন পার-এর সিক্যুয়াল। এ যেন সোনায় সোহাগা আমির ফ্যানদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরেই সিনেমাটি ঘিরে উন্মাদনা দর্শকদের মাঝে।ট্রেলার মুক্তির পর সেই উন্মাদনা আরো বহুগুনে বেড়েছে। ইন্টারনেট জুড়ে এখন তীব্র সমালোচনা, অনেকেই বলছেন আমিরের সিনেমাটি স্প্যানিশ হিট সিনেমা ,চ্যাম্পিয়নস-এর হুবহু নকল। চ্যাম্পিয়নস সিনেমার কাহিনিতে দেখা যায়, একজন বাস্কেটবল কোচ বিশেষ ভাবে সক্ষম একদল খেলোয়াড়কে কোচিংয়ের দায়িত্ব নেন।এরপর ধীরে ধীরে তার জীবন বদলে যেতে থাকে। সিতারে জামিন পার সিনেমার ট্রেলারেও একইরকম গল্প দেখা যাচ্ছে।প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।একেবারে হলিউড সিনেমার সব কটা দৃশ্যের প্রতিটা সিকোয়েন্সের পাশে রেখে প্রমাণও দিয়েছেন।যেসব পোস্ট ইতিমধ্যেই ছেয়ে গিয়েছে ইন্টারনেটে।সোশ্যাল প্লাটফরম রেডিটে এখন ভাইরাল একটি থ্রেডে সিতারে জামিন পার-এর ট্রেলারের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস-এর দৃশ্য মিলিয়ে পোস্ট করা হয়েছে।একদম ফ্রেম-টু-ফ্রেম কপির অভিযোগ আনা হচ্ছে।সেখানে এক ইউজার লিখেছেন, ,হুবহু কপি। অন্য একজনের মন্তব্য, ফরেস্ট গাম্পের পরে আবার রিমেক করার ঝুঁকি নেওয়াই উচিত হয়নি আমিরের।আরেকজন লিখেছেন,এই ছবি অন্তত ফরেস্ট গাম্পের মতো জনপ্রিয় নয়, তাই অনেকেই হয়তো বুঝতে পারবেন না,কিন্তু এটা কোনও ভাল দিক নয়।কেউ কেউ লিখেছেন, পারফেকশনিস্ট এখন পারফেক্ট কপিয়ারে পরিণত হয়েছেন।অন্যদিকে আমির ফ্যানদের তাদের প্রিয় তারকার হয়ে প্রতিবাদ জানাতেও দেখা গেছে। আমির খানের পক্ষ নিয়ে তাদের দাবি, এটি স্প্যানিশ সিনেমাটির অফিসিয়াল রিমেক।আর সেটা আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তাই কপি বিতর্ক মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়।কারো কারো মতে,এটা রিমেক না আসল সেটা কেউ পাত্তা দেয় না। আসল ব্যাপার হলো, সিনেমাটা ভালো কি না।
অবশ্য এই প্রথম নয়, আমির খান প্রযোজিত তথা কিরণ রাও পরিচালিত ,লাপাতা লেডিজ-এর বিরুদ্ধেও গল্প চুরির অভিযোগ উঠেছিল। তখন লাপাতা লেডিসের লেখক সেই অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তার গল্পটি আরো আগের লেখা।
