
দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে রাজ্যেও। এই পরিস্থিতিতে করোনা পজিটিভের তথ্য নথিভুক্ত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্তাদের দাবি, কোভিড পজিটিভ এলেই তা স্বাস্থ্য দফতরের পোর্টালে নথিভুক্ত করার নির্দেশ আগে থেকেই রয়েছে।
চলতি বছরে এ রাজ্যে মোট ২৫ জনের মতো আক্রান্ত বলে খবর মিলেছিল। এমনকি, শুধু শেষ সাত দিনেই ১৯ জন সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে। তাঁদের মধ্যে চার জন ইতিমধ্যে কোভিড নেগেটিভ হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা বলেছেন, বিভিন্ন হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরিকে ফের সতর্ক করা হয়েছে। এর পরেও কেউ সময়মতো তথ্য না জানালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। বেসরকারি সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে কলকাতা মেডিক্যালে দু’জন, বাইপাসের ধারের দু’টি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে সাত জন এবং কাঁকুড়গাছির নার্সিংহোমে এক জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওই রোগীদের মধ্যে ন’মাসের এক শিশুও রয়েছে। আবার শহরের একটি বেসরকারি পরীক্ষাগারে পরীক্ষায় আসা পাঁচটি নমুনাই কোভিড পজিটিভ। তবে ওই পাঁচ জনই বাড়িতে রয়েছেন বলে খবর। করোনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট ভাবে নির্দেশিকা জারি করেনি স্বাস্থ্য দফতর। তবে সতর্ক থাকতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বেলেঘাটা হাসপাতাল।
সূত্রের খবর, আচমকা রোগীর সংখ্যা বাড়লে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পাঁচটি শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। ই এম বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালেও তিন শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করা হয়েছে। সেখানে করোনা আক্রান্ত ১৫ বছরের এক কিশোর রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।







