
আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া-সহ বিশ্বের অন্তত ৮৫টি দেশে করোনার প্রকোপ গুরুতর আকার নিয়েছে। পিছিয়ে নেই ভারতও।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে গত জুন ও জুলাই মাসে ৯০৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। ভারতেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে ক্রমাগত। বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা করোনা পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, বর্তমানে ভারতে করোনার যে ভ্যারিয়েন্ট দেখা গিয়েছে তা হল কেপি ভ্যারিয়েন্ট। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথম কেপি.২ ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল ওড়িশাতে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, দেশের একাধিক রাজ্যে ২৭৯ জন করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। অসম, দিল্লি, গুজরাট, কেরল, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে ব্যাপকভাবে ছড়াতে শুরু করেছে ভাইরাস। জুলাই মাসে সংসদে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা জানিয়েছিলেন, এখনই ভয় পাওয়ার মতো কিছু হয়নি। হাসপাতালগুলিতে সংক্রমণের সংখ্যাও বাড়েনি। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের দাবি, সরকার গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছে। বর্তমানে গোটা বিশ্বের মধ্যে করোনায় সব চেয়ে গুরুতর অবস্থা আমেরিকায়। ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আমেরিকায় হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
