
বিধানসভায় মুকুল রায়কে নিয়ে নির্দেশ খারিজ হতেই মুখ খুলেছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় অক্ষ্যক্ষের রুলিংয়ের ওপর হস্তক্ষেপ করা যায় না।
তা সত্ত্বেও বিচারপতি কিভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, রায়ের কপি না দেখে বলতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন সবদিক বিবেচনা করেই মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে আনা দলত্যাগী বিরোধী আইনের মামলা খারিজ করেছিলেন। এক্ষেত্রে বিধানসভার সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ মনে করিয়েছেন তিনি। মুকুল রায় দলত্যাগ করেও বিজেপির বিধায়ক পদ ছাড়েননি। এতেই আপত্তি তুলে বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা। তবে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেননি স্পিকার। তাঁর যুক্তি ছিল মুকুল রায়ের দলত্যাগ ১০০ শতাংশ প্রমাণ মেলেনি। তিনি নিজেও দলত্যাগের কথা মানেননি। এরপরেই পিএসি-র চেয়ারম্যান করা হয় মুকুল রায়কে। যে পোস্টে বিরোধী বিধায়ককে নিয়োগ করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী বাদে এর বিরুদ্ধে মামলা করেন বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়ও। মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছেন ১০০ শতাংশ প্রমাণ প্রয়োজন বলে স্পিকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা সঠিক নয়।
দ্বিতীয়ত মুকুল নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি তৃণমূল ভবনে গিয়েছিলেন। তাছাড়া তৃণমূলে যোগদানের ভিডিও রয়েছে যা উপেক্ষা করা যায় না।






